আজ ১৩ মার্চ, পল্লীকবি জসীমউদদীনের ৪০তম মৃত্যুবার্ষিকী। ১৯৭৬ সালের এই দিনে তিনি ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন।
কবি জসীমউদদীনের জন্ম ১৯০৩ সালের ১ জানুয়ারি ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে। কলেজ জীবনেই ‘কবর’ কবিতা রচনা করে ব্যাপক খ্যাতি অর্জন করেন তিনি। এরপর ১৯৩১ সালে জসীমউদদীন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এমএ পাস করে পল্লী সাহিত্যের সংগ্রাহক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।
জসীমউদদীনের কাব্যে পূর্ব বাংলার পল্লী জীবনের নৈসর্গিক চিত্র ফুটে উঠেছে স্বাভাবিক রূপ-মাধুর্যে। বাংলার পল্লী-সঙ্গীতের সুরে রচিত তার গানগুলো এদেশের মানুষের মন মাতিয়ে তোলে। তার এসব গানের মধ্যে বাংলার গ্রামের সহজ-সরল প্রাণের সুরটিই উঠে এসেছে সহজ ভাষায়। এ কারণে তিনি পল্লীকবি হিসেবে পরিচিতি।
তার উল্লেখযোগ্য কাব্যগ্রন্থের মধ্যে রয়েছে রাখালী, নকশী-কাঁথার মাঠ, বালুচর, ধানক্ষেত, সোজন বাদিয়ার ঘাট ইত্যাদি। নাটক ও শিশু-সাহিত্যেও কাজ করেন তিনি।
সাহিত্যকর্মের স্বীকৃতি হিসেবে পল্লীকবি বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি-লিট এবং একুশে পদকে ভূষিত হন।






