‘পর্তুগাল ছাড়া বিশ্বকাপ নয়। এখানে কোনো ব্যক্তি নেই, আমরা একটি দল। সামনে (মঙ্গলবার) একটি ফাইনাল এবং আমরা প্রস্তুত। আমি সবসময় নিজেদের ফেভারিট মনে করি, ঘরে হোক কিংবা বাইরে।’
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের প্লে-অফের ফাইনালে আজ রাতে নর্থ মেসিডোনিয়ার মুখোমুখি হবে পর্তুগাল। ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, তাকে ছাড়া বিশ্বকাপ হতে পারে কিনা। প্রশ্নের উত্তরে এভাবেই নিজের সাফ কথা জানান সিআর সেভেন।
পর্তুগিজ মহাতারকা বলেন, ‘আমরা ইতোমধ্যে জানি যে, এ ম্যাচ জিতলে বিশ্বকাপে যাব। যদি আমরা হারি, বাদ পড়ে যাব। আমাদের ইতিবাচক থাকা এবং খেলায় জেতার দায়িত্ব রয়েছে। চাপ সবসময় রয়েছে। আমি সবসময় ভালো বোধ করি। আরেকটি দিন হবে, আমি প্রস্তুত থাকব।’
কাতার বিশ্বকাপের মূল পর্বে পর্তুগাল খেলার সুযোগ পেয়ে সেই আসরের পরই অবসর নেবেন কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো বলেন, ‘আমাকেও একই প্রশ্ন করা শুরু হয়েছে। যে আমার ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করতে যাচ্ছেন, সে আমি। অন্য কেউ না। যদি আরও বেশি খেলতে চাই, আমি খেলব। যদি আমার বেশি খেলতে ভালো না লাগে, আমি খেলব না। দিনক্ষণ বিষয়ে আমি সিদ্ধান্ত নেবো।’
প্লে-অফের সেমিফাইনালে ইতালিকে হারিয়ে তাদের বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে দেয় নর্থ মেসিডোনিয়া। দলটি গত বছর প্রথমবারের মতো ইউরো চ্যাম্পিয়নশিপে খেলেছিল। যা দেশটির ২৭ বছরের ইতিহাসে প্রথম বড় টুর্নামেন্ট খেলার ঘটনা।
অপরদিকে, ২০১৬ সালের ইউরো চ্যাম্পিয়ন পর্তুগাল টানা পাঁচবার বিশ্বকাপের চূড়ান্ত পর্বে উঠেছে। তবুও প্রতিপক্ষকে যথেষ্ট সমীহ করছেন রোনালদো।
‘তারা অনেক খেলায় (প্রতিপক্ষকে) বিস্মিত করেছে। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি যে, সামনের (মঙ্গলবার) ম্যাচে তারা আমাদের বিস্মিত করবে না। পর্তুগাল আরও ভালো দল হবে এবং আমরা বিশ্বকাপে যাব। আমাদের জন্য এই খেলাটা জীবনসঞ্চারী।’
রোনালদোর সঙ্গে একমত পোষণ করে পর্তুগালের কোচ ফার্নান্দো সান্তোস বলেন, ‘আমরা নর্থ মেসিডোনিয়াকে ভালোভাবে জানি এবং আমাদের সেই অনুযায়ী খেলতে হবে।’
‘এটি তাদের (প্রতিপক্ষের) কাছে জীবনসঞ্চারী খেলা হতে পারে। তবে আমাদের জন্যও তাই এবং এভাবে আমাদেরকে সাড়া দিয়ে সংকল্পবদ্ধ, একাগ্রতা, ত্যাগের মনোভাব এবং ইচ্ছাশক্তি দেখাতে হবে। আমাদের জিততে হবে, জিততে হবে, জিততে হবে। আমরা ১১ মিলিয়ন পর্তুগিজ জনগণের নিঃশর্ত সমর্থনের উপর নির্ভর করি।’








