‘পরচর্চা করো না, বিপদে পড়ো না’ এমন নীতিবাক্য শুনতে শুনতেই বড় হয় বেশিরভাগ শিশু। কিন্তু এখন এই নীতিবাক্য বাদ দিয়ে নতুন নীতিবাক্য বলার সময় বেধহয় এসেছে।
এখন বলতে হবে, যদি সুস্থ থাকতে চাও তা হলে পরচর্চায় মাতো! কেননা গবেষণা বলছে, পরচর্চা নাকি মানুষকে সুস্থ ও সুখী থাকতে সাহায্য করে।
পরচর্চা করার পর অনেকেই বেশ আত্নগ্লানিতে ভোগেন। গবেষণা বলছে, আর আত্নগ্লানিতে ভুগবেন না, বরং বেশি বেশি পরচর্চা করুন।
সাম্প্রতিক এক গবেষণা থেকে বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, পরচর্চাই মানুষকে আরো সুখী হতে সাহায্য করে, সেই সাথে শিক্ষা দেয় কাকে বিশ্বাস করা যায়।
এই পরচর্চাই কিন্তু অন্যান্য প্রাণী থেকে আলাদা করে মানুষকে। একবার ভাবুনতো প্রাণীকূলে আর কোন প্রাণী এমন আয়েশ করে পরচর্চায় মাতে?
অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইভালিউশনারি সাইকোলজির প্রফেসর রবিন ডানবার পরচর্চাকে যোগাযোগের একটি মাধ্যম হিসেবেই বিবেচনা করতে চান। তিনি বিশ্বাসও করেন, এই পরচর্চাই মানুষকে ভালোভাবে বাঁচিয়ে রাখার একটি অন্যতম অবলম্বন।
টেলিগ্রাফকে দেওয়া সাক্ষাতকারে ডানবার জানান, পরচর্চাই সামাজিক যোগাযোগের বিষয়ে অবগত রাখে। ‘এই সামাজিক যোগাযোগেই তো এখন আমরা বাস করি। আমরা বুঝতে পারি কিভাবে অন্যদের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে আমরা নিজেদের আরো বেশি উন্নত করে তুলবো।’
জেরুজালেমের হিব্রু ইউনিভার্সিটির ইতিহাসের প্রফেসর ইউভাল নোয়া হারারি টেলিগ্রাফকে বলেন, গুজব রটনাকারীরাইতো মূলতঃ প্রথম সাংবাদিক। তারাই অন্যদের জানায় কাকে বিশ্বাস করতে হবে আর কাকে এড়িয়ে চলতে হবে।
পরচর্চা মানুষের ছোট ছোট বন্ধনগুলোকে আরো বড় করে তোলে বলেও মনে করেন তিনি। কেননা তখন পছন্দের মানুষ সম্পর্কে মানুষ আরো বিশ্বাসযোগ্য তথ্য পান রটনাকারীর কাছ থেকে।






