রাজধানীতে দুর্বৃত্তদের গুলিতে যুবলীগ কর্মী রেজভী হাসান বাবুকে পদ নিয়ে দ্বন্দ্বের জের ধরে হত্যা করা হয়েছে বলে দাবি করেছে বাবুর পরিবার ও সহকর্মীরা। আহত আরেক কর্মী ইমনের অবস্থাও আশংকাজনক।
মতিঝিল এজিবি কলোনীর ভেতরে আইডিয়াল ক্লাবের সামনে শুক্রবার রাতে আড্ডা দিচ্ছিলেন যুবলীগ কর্মী রেজভী হাসান বাবুসহ আরো কয়েকজন। রাত ১১টার দিকে হঠাৎ করেই কয়েকজন দুষ্কৃতকারী তাদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। গুলিবিদ্ধ হন বাবু ও ইমন। হাসপাতালে নেয়ার পথে বাবুর মৃত্যু হয়।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী ও বাবুর সহকর্মী একজন পরিচয় গোপন রাখার শর্তে জানান, বাবু ভাই দৌড়ে বাজারের গেটের দিকে চলে আসেন। আমাদের এক বড় ভাই নাসির ভাইয়ের উপর গিয়ে পড়েন। নাসির ভাই পরে তাকে হসপিটালে নিয়ে আসেন।
“পোস্টিং নিয়েই দ্বন্দ্ব ছিলো” উল্লেখ করে তিনি বলেন, চেহারাও দেখা গেছে কিছু। উনি (বাবু) মারা যাওয়ার কিছু আগে আশেপাশের ছেলেপেলেরা জিজ্ঞেস করছিলো, কারা করছে ভাই? তখন উনি (বাবু) দুইজনের নাম বলে গেছে। টিপু এবং হীরক। 
৩ থেকে ৪ মাস পর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ১০ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পদে বাবুর নির্বাচন করার কথা ছিলো। এ নিয়েই দ্বন্দ্ব চলছিলো দাবি পরিবারের। বাবু যাদের নাম বলে গেছে তাদের বিচার দাবি করেন পরিবারের সদস্যরা।
ওই ঘটনায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি গুলিবিদ্ধ আহসানুল হক ইমনের শারীরিক অবস্থা আশংকাজনক বলে জানিয়েছেন চিকিৎসকরা। দোষীদের ধরতে অভিযান চালাচ্ছে মতিঝিল থানা পুলিশ।







