পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি এবং দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিটি বা কমিশন গঠনের অগ্রগতি প্রতিবেদন দিতে সময় পেয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
সোমবার রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি মোহাম্মদ উল্লাহর হাইকোর্ট বেঞ্চ ৯ মে ২০১৭ এর মধ্যে অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করতে নির্দেশ দেন।
আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যার্টনি জেনারেল তাপস কুমার বিশ্বাস।
গত ১৫ ফেব্রুয়ারি পদ্মা সেতু নির্মাণ চুক্তি এবং দুর্নীতির মিথ্যা গল্প সৃষ্টির নেপথ্যে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে তদন্ত কমিশন গঠন করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না এবং দোষীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট।
সেই সঙ্গে কমিটি বা কমিশন গঠনের বিষয়ে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে ৩০ দিনের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি একটি দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে আদালত এই রুল দেন।
পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র থাকার ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাননি কানাডার আদালত। সেতু প্রকল্পের কাজ তদারকি বিষয়ে পাঁচ কোটি ডলারের কাজ পাওয়ার উদ্দেশ্যে এসএনসি-লাভালিনের কর্মীরা ২০১০ ও ২০১১ সালে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, এমন অভিযোগ তুলেই ঋণ বাতিল করেছিল বিশ্বব্যাংক।
সম্প্রতি কানাডার আদালতে ওই অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়।










