পদ্মাসেতু নির্মাণচুক্তি ও দুর্নীতি নিয়ে মিথ্যা গল্প সৃষ্টির পেছনে প্রকৃত ষড়যন্ত্রকারীদের খুঁজে বের করতে কমিটি বা কমিশন গঠনের জন্য কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
সেই সঙ্গে ষড়যন্ত্রকারীদের কেন বিচারের মুখোমুখি করা হবে না তাও জানতে চাওয়া হয়েছে রুলে।
বুধবার বিচারপতি কাজী রেজাউল হক ও মোহাম্মদ উল্লার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ স্বপ্রনোদিত হয়ে এ রুল জারি করেন।
আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে মন্ত্রীপরিষদ সচিবসহ সংশ্লিষ্টদের এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এছাড়াও এই রুলের আলোকে কমিটি বা কমিশন কী পদক্ষেপ নিয়েছেন তা ৩০ দিনের মধ্যে আদালতকে জানাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিবকে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।
গত ১৪ ফেব্রুয়ারি দৈনিক ইনকিলাব পত্রিকায় প্রকাশিত একটি সংবাদসহ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন নজরে নিয়ে আদালত এই রুল দেন।
পদ্মাসেতু প্রকল্পে দুর্নীতির ষড়যন্ত্র থাকার ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের কোনো প্রমাণ পাননি কানাডার আদালত। সেতু প্রকল্পের কাজ তদারকি বিষয়ে পাঁচ কোটি ডলারের কাজ পাওয়ার উদ্দেশ্যে এসএনসি-লাভালিনের কর্মীরা ২০১০ ও ২০১১ সালে বাংলাদেশের কর্মকর্তাদের ঘুষ দেয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন–এমন অভিযোগ তুলেই ঋণ বাতিল করেছিল বিশ্বব্যাংক।
সম্প্রতি কানাডার আদালতে ওই অভিযোগ মিথ্যা প্রমাণিত হয়।








