পদ্মপাতা দেখেছো কখনো তুমি!
পদ্মপাতার ভালোবাসা পেয়েছো কী?
ঋতুর মতোই বদলায় পদ্মপাতা।
কখনো বর্ষার শীতল কদম ফুল,
কখনো শরতের সাদা কাশফুল,
কখনো হেমন্তের হলুদ সরষে,
কখনো শীতের হিমেল হাওয়া,
কখনো বা বসন্তের লাল কৃষ্ণচুড়া।
তুমি কী জানো,
রাতের অন্ধকারে পদ্মপাতার প্রশস্ততা বেড়ে যায়?
দেখেছো কখনো?
তোমার স্পর্শে পদ্মপাতা কখনো নিজেকে মেলে ধরে;
আবার কখনো নিজেকে লুকিয়ে ফেলে।
এ যেনো প্রজাপতির নানা রঙ্গের মতো
নাকি রংধনুর সাত রঙ্গের আভাস!
কখনো বেগুনী, কখনো নীল, কখনো আসমানি,
কখনো সবুজ, কখনো হলুদ, কখনো কমলা,
কখনো হয়ত বা লাল।
সারারাত পদ্মপাতা নিজেকে প্রসারিত করে
আপন নীলিমায়।
ওর প্রতিটি শিরা-উপশিরায় উন্মাদনা
জলে ভেসে যায় ওর প্রতিটি কণা।
এলোমেলো হয়ে যায় ওর বিন্দুগুলো।
রাত গড়িয়ে যায়
গাঢ় হয় অন্ধকার,
পদ্মপাতাকে খুঁজছো তুমি?
সারারাত ধরে পদ্মপাতায় তোমার স্পর্শ
ভোরে পদ্মপাতা নিস্তব্ধ হয়ে পড়ে
ক্লান্ত, শান্ত, স্থির।
এ যেনো ভিন্ন এক পদ্মপাতার আর্বিভাব!
কিছুটা লজ্জা, কিছুটা আবেগ
কিছুটা লুকোচুরি, কিছুটা আহলাদ।
পদ্মপাতা ছুঁয়েছো কখনো?
অনুভব করেছো তার নরম আদুরে পাপড়ি?
এতো কাছে এসো না,
পদ্মপাতা লজ্জা পাবে।
সব অভিমান ভুলে ভালোবাসার স্পর্শে নেতিয়ে যাবে তোমার হাতে
ধারণ করবে তোমাকে, ধারণ হবে তোমাতে।
পদ্মপাতার জলের ছোঁয়ায় সিক্ত হবে তুমি।
আলতো করে আগলে রেখো
তোমার পদ্মপাতাকে।








