ঘূর্নিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে কক্সবাজারের ৪ উপজেলার ৫৫ গ্রামের লাখো মানুষ পানিতে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। একই অবস্থা চট্টগ্রামে বাঁশখালিতেও। এছাড়া বরগুনা, পুটয়াখালি, ভোলা, লক্ষ্মীপুরের নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে ঘরবাড়ি ও ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের অনেকেইে খোলা আকাশের নীচে দিন কাটাচ্ছে। ত্রাণ পৌছাঁলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল।
ঘূর্নিঝড় রোয়ানুর প্রভাবে লন্ডভন্ড উপকূলীয় এলাকায় চলছে বেঁচে থাকার লড়াই। রোয়ানুর দুই দিন পর বাড়ি ফিরে আবারো ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা উপকূলবাসীর। প্রবল বৃষ্টি আর জলোচ্ছ্বাসে বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে পটুয়াখালির বিভিন্ন এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়েছে। পানিতে আটকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে শতাধিক পরিবার। ঘরবাড়ী হারিয়ে অসংখ্য পরিবার এখন খোলা আকাশের নীচে। দু’দিন পেরিয়ে গেলেও পৌঁছেনি ত্রাণ সহায়তা ।
কক্সবাজারেও হাজারো কাঁচা ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত হয়েছে। সদর, কুতুবদিয়া, মহেষখালি, পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে ৫৫টি গ্রাম। বিস্তীর্ণ এলাকায় জোয়ারের পানি ঢুকে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে মানুষ।
বরগুনা, ভোলা এবং লক্ষ্মীপুরের বেশিরভাগ এলাকায় গ্রামীন কাঁচা-পাকা সড়ক ধসে গেছে। অনেক সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। বরগুনায় বেড়ি বাঁধ ভেঙ্গে প্লাবিত হয়েছে ৩০টি গ্রাম ।
রোয়ানুর ক্ষতচিহ্ন জেগে উঠছে উপকুলীয় এলাকাগুলোতে। ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণে বিভিন্ন দপ্তর এখনও মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে। বর্ষা আসার আগেই ক্ষতিগ্রস্ত বেড়ি বাঁধ সংস্কার এবং জরুরী ত্রাণ ও পূনর্বাসন সহায়তার দাবি জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্তরা।









