পর্যটন জেলা পটুয়াখালীর কলাপাড়া ও কুয়াকাটা পৌরসভার নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা এখন জমজমাট। ভোটের মাঠে প্রচারণায় সমান তালে প্রতিদ্বন্দ্বী মেয়র ও কাউন্সিলর প্রার্থীরা।
তারা নিয়ম মেনে পোস্টার, লিফলেট, মাইকিং ছাড়াও রাতদিন পাড়া-মহল্লা, রাস্তাঘাটে করছেন শুভেচ্ছা বিনিময়।
উপকূলীয় জেলা পটুয়াখালীতে দুটি পৌরসভায় নির্বাচনী প্রচারণা এখন তুঙ্গে। প্রথম লক্ষ্য সাগরকন্য পটুয়াখালীর কুয়াকাটা পৌরসভা। বিদ্যুৎ, পানি, ড্রেন, রাস্তাঘাট যাবতীয় নাগরিক অসুবিধার বাইরে থাকা পৌরবাসীর স্বপ্ন একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের।
কুয়াকাটা পৌরসভায় ৯টি ওয়ার্ডে ভোটার ৬হাজার ৮৪৫জন ভোটারের রায় নিজের পক্ষে নিতে ৫জন মেয়র প্রার্থী থাকলেও প্রতিদ্বন্দ্বীতা মূলত আওয়ামী লীগ এবং বিএনপির মধ্যে। ইউনিয়ন থেকে পৌরসভায় পরিণত হওয়া এই পৌরসভার আওয়ামী লীগের প্রার্থীর কাছে বিএনপি প্রার্থী আগে দুবার এবার পরাজিত হলেও আশাবাদী। আছে বিস্তর অভিযোগ।
আওয়ামী লীগ প্রার্থী বলছেন ওসব অপপ্রচার। শূন্য থেকে শুরু করার আশা তার। বারেক মোল্লা বলেন, দলীয় প্রতীক আসায় মানুষ খুশি। তারা দলীয় প্রতীক নৌকা মার্কায় ভোট দেবে।
সাগর কন্যা ছেড়ে এবার গন্তব্য কলাপাড়া পৌরসভায়। পটুয়াখালী শহর থেকে ৪৮ কিলোমিটার দক্ষিণে কলাপাড়া উপজেলা সদরে ৯টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত কলাপাড়া পৌরসভায় ভোটার ১১হাজার ৮৫জন। আওয়ামী লীগ, বিএনপি ও জাতীয় পার্টি মনোনীত মেয়র প্রার্থী তিনজন।
কলাপাড়া পৌরসভা নির্বাচনে জয়ের আশা থাকলেও প্রচারণায় বাধা দেয়ার অভিযোগ বিএনপি প্রার্থীর। ভোট সুষ্ঠু হওয়া নিয়েও শঙ্কা তার।
হাজী হুমায়ন সিকদার বলেন, ভোট সুষ্ঠু হওয়া নিয়েও আমার যথেষ্ঠ শঙ্কা রয়েছে।
নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে বিএনপি অপপ্রচার চালাচ্ছে বলে দাবি আওয়ামী লীগের। তবে নিজের দলের ভেতরের কোন্দল নিয়ে প্রশ্ন করলে কৌশলে এড়িয়ে যান তিনি।
পটুয়াখালীর কলাপাড়া এবং কুয়াকাটা পৌরসভার নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য সবার সহযোগিতা চেয়েছে প্রশাসন।







