বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইমার্জেন্সি সেবা পেতে কোন নির্দিষ্ট নম্বরে ফোন করার কথা আমরা প্রায়ই শুনি। এবার দেশের ইমার্জেন্সি সেবা নিয়ে ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন সাংবাদিক মামুনূর রহমান খান। দেশেও যে এই ধরনের একটি সেবা রয়েছে সেটাও জানেন না অনেকে।
ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ কে ধন্যবাদ! তবে তিতাসের মতো সেবা প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের মানসিকতা না বদলালে ৯৯৯ এর মতো অসাধারণ উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন উঠতে পারে।
ঘটনা আজ সকালের। দশটার দিকে বাসার সামনে ওয়াসার পয়:নিস্কাশন ড্রেন তৈরির সময় দুর্ঘটনাবসত গ্যাস লাইন এর সংযোগ খুলে যায়। তখনই ঘটনা জানানো হয় ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস ৯৯৯ তে ফোন করে। অপর প্রাপ্ত থেকে আন্তরিকতার সাথে ঘটনা শুনে ও এর ভয়াবহতা আঁচ করে সঙ্গে সঙ্গেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তিতাসের কোন এক সদস্যর সাথে সরাসরি কথা বলার ব্যবস্থা করেন ইমার্জেন্সি সার্ভিসের ঐ সদস্য।
দায়িত্বপ্রাপ্ত তিতাস কর্মকর্তা খুবই দায়সারাভাবে ঘটনা শুনে ফোন রেখে দেন। এমনকি ঘটনাস্থলের ঠিকানা বলতে চাইলেও তিনি তা না শুনেই ফোন লাইন কেটে দেন।
এরপর ইমার্জেন্সি সার্ভিসের ঐ সদস্য তিতাস কর্মকর্তার সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পরামর্শ দিয়ে তাদের ফোন নম্বর দেন। তবে ঐ নম্বরে ফোন করলেও তা আর কেও ধরেন নি। এরই মধ্যে স্থানীয় টেকিশিয়ান দিয়ে গ্যাসের লাইন সংস্কারের কাজ শুরু হয়।
দুপুর ১২টা দিকে অবাক হওয়ার পালা ! ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিস থেকে ফোন করে জানতে চাওয়া হলো সমস্যার সমাধান হয়েছে কি না ! এবার ফোন করলের অন্য এক সদস্য। তাকে পুরো ঘটনা জানাতে সঙ্গে সঙ্গে তিতাসের অপর কোন সদস্যর সাথে ফোনে কথা বলার ব্যবস্থা করলেন তিনি। তবে এবারও একই অভিজ্ঞতা।
এরপরে এই সাংবাদিক লিখেছেন, প্রশ্ন হচ্ছে সরকারি সংস্থা হয়েও ন্যাশনাল ইমার্জেন্সি সার্ভিসের সদস্যরা এতো আন্তরিকতা ও দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে পারলে তিতাসের সমস্যা কোথায় ?
কোন প্রতিষ্ঠানে নজরদারী ও দায়িত্ববোধ না থাকলে কি হতে পারে দিনে দিনে তাই যেন প্রমাণ করে চলেছে গ্যাস কর্তৃপক্ষটি।
মেট্রোরেলের কাজ চলায় মিরপুরে মাঝে মাঝেই গ্যাসের লাইন বন্ধ রেখে কাজ করা হয়। সমস্যা হলেও মেট্রোরেলের জন্য সবাই তা মেনে নিয়েছে। কিন্তু প্রায়ই গ্যাস আসার সময় ঠিক থাকে না। অর্থাৎ সকাল ১০টায় গ্যাস আসার কথা থাকলে আসে দুপুরে।
বার কোন ঘোষণা না দিয়েই প্রায় প্রতি সকালেই ঘন্টা দুয়েকের জন্য উধাও হয় গ্যাস। জনগণের কাছে কি কোন জবাবদিহিতা নেই প্রতিষ্টানটির?







