‘আমি কখনোই ন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ডের ছবি বানাই না। ভবিষ্যতে কখনো বানাবোও না। দর্শকদের ভালো লাগার জন্য ছবি বানাই। দর্শকদের ভালো লাগাই আমার কাছে অস্কার পাওয়ার মতো ব্যাপার।’
কথাগুলো ‘মনপুরা’ খ্যাত নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের। ১১ মার্চ সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে তার পরিচালনায় নতুন ছবি ‘গুণিন’। যেখানে অভিনয় করেন শরিফুল রাজ পরীমনি, মোস্তফা মনোয়ার, আজাদ আবুল কালাম, ইরেশ যাকের প্রমুখ।
নির্মাণের পর থেকে ছবিটি বেশ আলোচনায় আছে। কারণ, এ ছবির মাধ্যমেও প্রেম থেকে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন রাজ-পরী।
কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হকের ‘গুণিন’ উপন্যাস অবলম্বনে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকি’র প্রযোজনায় নির্মিত হয়েছে ‘গুণিন’।
মুক্তির আগে বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর ভাটারা এলাকায় জমকালো আয়োজনে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। ছবির কলাকুশলী উপস্থিত হওয়ার আগেই হাজির হন গিয়াস উদ্দিন সেলিম।
সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে কথা বলার আগে চ্যানেল আই অনলাইনকে গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলেন, গুণিনে যারা অভিনয় করেছে প্রত্যেকেই সেরাটা দিয়েছে। আমি কাউকে অভিনয় শেখাইনি। শুধু চরিত্রের বিশ্লেষণটা বুঝিয়ে দিয়েছি।
‘শুটিংয়ের আগে আমরা একাধিকবার রিহার্সাল করেছিলাম। তখন সবাই নিজেদের চরিত্রটি ধরতে পেরেছে। তাই আমাকে শুটিংয়ে বেশি কষ্ট করতে হয়নি। আমার বিশ্বাস গুণিনের প্রত্যেকের অভিনয় সবাইকে মুগ্ধ করবে।’
গিয়াস উদ্দিন সেলিম বলেন, করোনার শুরুতে ঘরে থেকে ‘গুণিন’ উপন্যাস পড়ে ভালো লেগে যায়। করোনার দ্বিতীয় ধাক্কায় উপন্যাস থেকে সিনেমা করার প্ল্যান করি৷ তখন চরকি প্রযোজনা করতে এগিয়ে আসে। এভাবেই ‘গুণিন’ এর কাজ শুরু হয়।
নির্মাতা সেলিম তার বানানো মাইলফলক ছবি ‘মনপুরা’র সাথে কোনোভাবেই গুণিনের তুলনা করতে চাইলেন না। বললেন, আমার আগের কোনো ছবির সাথে গুণিনকে মেলালে হবে না। প্রত্যেক ছবির নিজস্বতা আছে।
তিনি আরো বলেন, প্রায় ৪ বছর পর আমার বানানো ছবি হলে মুক্তি পাচ্ছে। দর্শক যদি হলে গিয়ে দেখে তাহলে পরিশ্রম স্বার্থক হবে।
সর্বশেষ ‘স্বপ্নজাল’ বানিয়েছিলেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম। এপ্রিলে শুরু করবেন ময়মনসিংহে গীতিকা অবলম্বনে সরকারি অনুদান পাওয়া ‘কাজল রেখা’ ছবির শুটিং। যেখানে অভিনয় করছেন মিথিলা, শরিফুল রাজ, মন্দিরা ইরেশ যাকের, আজাদ আবুল কালাম।








