নানা কর্মসূচিতে বাংলাদেশেও উদযাপিত হলো আন্তর্জাতিক মে দিবস। ন্যায্য
মজুরি, কর্মক্ষেত্রে আবাসন ব্যবস্থাসহ নিরাপত্তা এবং কারখানাগুলোয় সংগঠন
করার অধিকার দেয়ার দাবি জানিয়েছেন শ্রমিকরা।
রোববার রাজধানীতে মে দিবস উপলক্ষে
নানান কর্মসূচির আয়োজন করে বিভিন্ন সংগঠন। সেসব কর্মসূচি থেকে নিজেদের দাবির কথা জানান তারা।
১৩০ বছর আগে যে দাবি আদায়ে জীবন দিয়েছিলো শ্রমিকরা, তাদের সে দাবি আজও পূরণ হয়নি। যে শ্রমিকদের ঘামে গড়ে ওঠে পুজিপতিদের পুঁজি, দিনশেষে সে শ্রমিকরাই সবথেকে বঞ্চিত।
তারা বলেন, আজ আটঘণ্টা কর্মঘণ্টা নিয়ে কথা হচ্ছে, কিন্তু আমাদের অনেক সময় ১৬ ঘণ্টা বা ২২ ঘণ্টাও কাজ করতে হয়।
মে দিবসে রাজধানীতে বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠন, পেশাজীবী সংগঠন, রাজনৈতিক সংগঠন থেকে শুরু করে সমাজের নানা স্তরের মানুষ নানা কর্মসূচি পালন করে। উত্তরার আজমপুরে র্যালী করেছে বার্জার পেইন্টস বাংলাদেশ। জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে শ্রমিকলীগ থেকে শুরু করে নানা শ্রমিক সংগঠন র্যালী বের করে।
নৌমন্ত্রী শাহজাহান খান বলেন, শ্রমিকরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশ থেকে জঙ্গিবাদ নির্মূল করার কাজ করে যাবেন।
তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনু বলেন, মালিক হাসবে আর শ্রমিক কাঁদবে এই অবস্থার অবসান করা ছাড়া সমাজে শান্তি আসবে না।
মিছিলে মিছিলে নানান দাবির কথা তুলে ধরেন শ্রমিকরা। শ্রমিকদের দাবি, জীবনের নিরাপত্তার পাশাপাশি কর্মক্ষেত্র যেন তাদের জন্য মরণফাঁদ না হয়।








