আসন্ন ঈদ উপলক্ষে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রির চতুর্থ দিনেও টিকিট নিয়ে কমলাপুর থেকে হাসিমুখে ফিরেছেন বেশিরভাগ টিকিট প্রত্যাশী। ঈদে নৌ পথে যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং সদরঘাট টার্মিনালে পৌঁছতে যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে সমন্বয় সভা করেছে সরকার এবং লঞ্চ মালিক সমিতি।
ঈদ উপলক্ষে রেলওয়ের ৫ দিন ধরে অগ্রিম টিকিট বিক্রির চতুর্থ দিনেও লোকে লোকারণ্য ছিলো কমলাপুর স্টেশন চত্বর। সরকারি কর্মকর্তাদের ৩০ জুন শেষ কর্মদিবস হলেও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের শেষ কর্মদিবস ৩ জুলাই। তার একদিন পর ৪ জুলাইয়ের অগ্রিম টিকিট কিনতে মানুষের সারি কোথায় গিয়ে শেষ হয়েছে সেটা বোঝা ছিল মুশকিল।
শুরুর দিকে যারা ছিলেন তারা টিকিট পেলেও একেবারে শেষ দিকের মানুষেরা ফিরেছেন খালি হাতে। যারা পেয়েছেন তাদের ঈদের আনন্দের শুরু যেনো এখান থেকেই। যারা টিকিট পাননি তাদের জন্যও ব্যবস্থা আছে বলে জানিয়েছে রেলওয়ে। সূচি ঠিক রেখে অতিরিক্ত কোচ দিয়ে যাত্রী পরিবহনে প্রস্তুত আছে রেল কর্তৃপক্ষ।
বাংলাদেশ রেলওয়ের ঢাকা বিভাগীয় ব্যবস্থাপক মো: আরিফুজ্জামান বলেন, যাত্রীরা যে তারিখের টিকিট খুঁজছেন হয়তো সেই দিনেরই টিকেট পাচ্ছেন না। সেক্ষেত্রে যাত্রীরাই একটু নিজেদের যাতায়াতের সময়টা ঠিকঠাক করে নেবেন। এমন লম্বা ছুটিও তো আগে কোনোবার ছিলো না। আশা করি সবার ঈদই ভালো কাটবে।
টিকিট প্রত্যাশীদের ভিড় বেশি হওয়ায় কালোবাজারীদের ওপর বিশেষ নজর ছিল আইন-শৃংখলা বাহিনীর।
রোববার কমলাপুর থেকে দেওয়া হবে ৫ জুলাইয়ের অগ্রিম টিকিট। আর নৌ পথে যাত্রীদের নিরাপত্তা এবং সদরঘাট টার্মিনালে পৌছাতে যাত্রীদের যেন ভোগান্তি সহনীয় পর্যায়ে থাকে সেজন্য সদরঘাটে সমন্বয় সভা করেছে বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ এবং যাত্রী কল্যাণ সমিতি।







