ভূমিকম্প বিধ্বস্ত নেপালের শ্যামলিম গুর্খা উপত্যকার ওপর দিয়ে উড়ে যাচ্ছিল ভারতীয় সেনাবাহিনীর এক হেলিকপ্টার। পাইলটের চোখে পড়লো ১০ ফুট উচ্চতার ‘হেল্প’ লেখা এক ব্যানার। থামতে হলো তাকে, তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্তে নিরাপদে অবতরণ করলেন পাইলট।
৩১ বছর বয়সী স্লোভাকিয়ান পর্বতারোহী জুলিয়া স্ট্রিলকোয়াসহ কিছু সহপর্বতারোহীকে উদ্ধার করা হলো পাহাড়ের ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে। ভূমিকম্পের কারণে তারা আটকা পড়েছিলেন।
ভূমিকম্পের ৪ দিন পর উদ্ধার হওয়া জুলিয়া বলেন, ‘ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। তিনি এসেছেন।’
হেলিকপ্টারে উঠে জুলিয়া বার্তা সংস্থা এএফপিকে বলেন, ভূমিকম্পের কারণে বড় বড় পাথর ও শিলা নিচে গড়িয়ে পড়ছিলো। এটি খুবই ভয়াবহ অভিজ্ঞতা। আমরা সাহায্যের জন্য এদিক-ওদিক যাই। কিন্তু দেখলাম, পুরো গ্রামই ধ্বংস হয়ে গেছে। চারদিকে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে মানুষের মৃতদেহ।
জুলিয়া আরও বলেন, কারো সঙ্গে যোগাযোগ ছাড়াই আমরা চার দিন ধরে আটকা। আমরা জানতাম না, আদৌ কেউ আমাদের খুঁজে পাবে কি-না।
ভারতীয় সেনা হেলিকপ্টার পর্বতারোহী দলকে উদ্ধার করে পাশেই দামলা গ্রামের কাছে অবতরণ করে স্থানীয় কিছু গ্রামবাসীদেরও উদ্ধার করে। আহত কয়েকজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে নেয়া হয়।
উল্লেখ্য, গত শনিবার হিমালয় দুহিতা নেপালে ৭ দশমিক ৯ তীব্রতার ভয়াবহ ভূমিকম্পে এ পর্যন্ত ৬ হাজারেরও বেশি লোক প্রাণ হারিয়েছে।






