লেইপজিগে ম্যাচের প্রথম ১৫ মিনিটেই তিন গোলের লিড নিতে পারতো ফ্রান্স। গ্রিজম্যানের বারবার সুযোগ নষ্টে গোলশূন্যভাবে শেষ হয় প্রথমার্ধ। বিরতির পর এগিয়ে যেতে পারতো নেদারল্যান্ডস। জাভি সিমন্স নিশানাভেদ করলেও অফসাইডে তা বাতিল হয়। গোলশূন্য ড্রয়ে তাই দুই দলের নকআউট পর্বে যাওয়ার অপেক্ষা বাড়ল।
ডি-গ্রুপ থেকে দুই খেলায় একটি করে জয় ও ড্রয়ে সমান ৪ পয়েন্ট ফ্রান্স ও নেদারল্যান্ডসের। ৩ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের তৃতীয় স্থানে অষ্ট্রিয়া। পোলিশরা এখনও পারেনি পয়েন্টের খাতা খুলতে।
শুক্রবার রাতে মাঠে নামেননি কাইলিয়ান এমবাপে। আগের ম্যাচে নাক ভেঙে যাওয়ায় বেঞ্চেই ছিলেন। তাতে ফরাসিদের আক্রমণভাগের দুর্বলতা স্পষ্ট ফুটে ওঠে।
১৫টি শট নিয়ে একটিও কাজে লাগাতে পারেনি ফ্রান্স। ডাচরা সমানতালে লড়ালেও, দ্বিতীয়ার্ধে কিছুটা কোণঠাসা হয়ে ছিল। যদিও পেয়েছিল জালের দেখা। জাভি সিমন্স গোল করার পর লাইন্সম্যান পতাকা উঁচিয়ে ধরেন। লাইন্সম্যানের সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনাও করতে দেখা যায় রেফারিকে। বল জালে জড়ানোর সময় গোলরক্ষকের ঠিক পাশে দাঁড়ানো ছিলেন ডেনজেল ডামফ্রিস। ভিএআরও দীর্ঘক্ষণ সময় নিয়ে জানায়, গোল বাতিল।








