কলকাতা সিনেমায় এক সময়ের তুমুল দাপুটে অভিনেতা তাপস পাল। দীর্ঘদিন দাঁপিয়ে বেড়িয়েছেন সিনেমা অঙ্গন। দাদার কীর্তি, গুরু দক্ষিণা, মন্দ মেয়ের উপাখ্যানের মতো কালজয়ী চলচ্চিত্রের সঙ্গে লেগে আছে তার নাম। দীর্ঘদিনের অভিনয় ক্যারিয়ারে কলঙ্ক লাগেনি তার গায়ে। অথচ অভিনয় ছেড়ে রাজনীতিতে নাম লেখানোর সঙ্গে সঙ্গেই বেশ কয়েকবার সমালোচিত হয়েছেন তাপস। নামের সাথে কলঙ্ক লেপনও হলো যথেষ্ট।
সম্প্রতি ১৩ মাস জেল বাসের পর মুক্তি পেয়েছেন নেতা তাপস পাল। আর দীর্ঘদিন জেলে থাকার কারণ মূলত রাজনীতি!
তৃণমূলের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত তাপস পাল। রাজনীতিতে নাম লেখানোর পরে বেশ কয়েকবার সমালোচিত কাণ্ড ঘটিয়ে খবরের শিরোনাম হয়েছেন। সর্বশেষ ‘ঘরে ছেলে ঢুকিয়ে দিবো’বলে তার এমন হুমকি জনরোষ তৈরি করেছে। এরপর এই সাংসদ রোজ ভ্যালি কাণ্ডে অভিযুক্ত হয়ে কারাবাস করেন দীর্ঘ ১৩ মাস। যদিও অসুস্থতার দোহায় দিয়ে ভূবনেশ্বরের অ্যাপলো হাসপাতালেই ছিলেন দশ মাসের মতো। তবুও কাগজে পত্রেতো জেলই!
তারচেয়ে বড় কথা হচ্ছে, যে দলের জন্য তিনি জেল খেটেছেন সেই তৃণমূলের পক্ষ থেকে তাপস পালের জন্য কেউ মুখ খুলেনি। তার পক্ষে টুঁ শব্দটিও করেনি দলের কেউ। এমনকি গত বৃহস্পতিবার দলের সাংসদের জামিন পাওয়ার পরও তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে সরকারিভাবে কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। এমনটাই জানিয়েছে কলকাতার বেশকিছু সংবাদ মাধ্যম।
তাপস পালের স্ত্রী নন্দিনী গত দেড় বছর ধরে কলকাতা-ভূবনেশ্বর যাতায়াত করেছেন। তবে অতি সম্প্রতি এমনকি জামিন পাওয়ার পরও স্বামীর রাজনৈতিক জীবন সম্পর্কে তিনিও কোনো মন্তব্য করেননি।
দুই পক্ষেরই এমন নীরবতায় অনেকে প্রশ্ন তুলছেন, তাহলে কি নেতা তাপস পাল রাজনীতি ছাড়তে যাচ্ছেন? ফের গন্তব্য কি তাহলে অভিনয়? যদিও এসব অনুমান মাত্র।সূত্র: জিনিউজ








