কয়েকদিন আগে খবর বের হয়, উয়েফার ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে’র (এফএফপি) নিয়ম ভেঙে বাড়তি সুবিধা নিয়েছে পিএসজি। বলা হয়, শাস্তিস্বরূপ জরিমানা বা নিষেধাজ্ঞায় পড়তে পারে ফরাসি জায়ান্টরা। এমনকি নেইমার ও কাইলিয়ান এমবাপেকে ছেড়েও দিতে হতে পারে প্যারিস সাঁ সাঁকে।
নতুন খবর হল, ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে’তে ভারসাম্য আনতে দুজনের একজনকে না ছেড়ে কোনো বিকল্প খুঁজে পাচ্ছে না পিএসজি। আর এমনটা হলে দুই তারকার একজনকে দলে পেতে ঝাঁপাবে স্প্যানিশ জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ। স্প্যানিশ ক্রীড়া দৈনিক এএস অন্তত এমনটাই জানাচ্ছে।
গত ১৪ ডিসেম্বর ফরাসি পত্রিকা লে’কিপে স্পন্সরদের সঙ্গে পিএসজি চুক্তির পুনর্বিবেচনার বিষয়ে একটি খবর প্রকাশ করে। যেখানে ক্লাবটির অনেক সমস্যার চিত্র দেখা যাচ্ছে। ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে’র (এফএফপি) নিয়ম ভাঙার কারণে স্পন্সরদের সঙ্গে করা চুক্তি থেকে ৩৭% অর্থ কেটে নেয়ার কথা বলেছে উয়েফা। কাতার পর্যটন কর্তৃপক্ষ, কাতার ন্যাশনাল ব্যাংক, ওরেডু, বিআইএন স্পোর্টস এবং অ্যাসপটারের সঙ্গে চুক্তি সই হয়েছে পিএসজির।
ফুটবল লিক্সে প্রকাশিত পরিসংখ্যানের সাথে এই তথ্যটি মিলে যায় এবং এ থেকে বোঝা যাচ্ছে, ইউএসএফএ’র শাস্তি থেকে বাঁচতে পিএসজির ১৭০ মিলিয়ন ইউরো প্রয়োজন।
চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে প্রাপ্ত আয় এই চাপ থেকে কিছুটা রক্ষা করবে পিএসজিকে। গত মৌসুমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগ থেকে যেখানে ১৮ মিলিয়ন ইউরো আয় করেছিল, এবার সেখানে ৮০ মিলিয়নের নিশ্চয়তা দিয়েছে পিএসজি। তারপরও শাস্তি এড়াতে ক্লাবটির দরকার আরও ৯০ মিলিয়ন ইউরো। ফলে এই বিশাল অর্থ জোগাড় করতে দুই তারকার একজনকে বিক্রি না করে বিকল্প পথ খুব কমই দেখা যাচ্ছে পিএসজির জন্য।
এক্ষেত্রে অবশ্য অতিরিক্ত জরিমানাও অন্তর্ভুক্ত নয়। তদন্তে যদি নেইমার ও এমবাপের স্থানান্তর চুক্তিতে অনিয়ম খুঁজে পায়, তাহলে পিএসজির ব্যালেন্স শীটকে তা আরও বেশি আঘাত করবে।
ফিন্যান্সিয়াল ফেয়ার প্লে’র অনিয়মের কারণে ২০১৪ সালেও ৬০ মিলিয়ন ইউরো জরিমানা দিতে হয় পিএসজিকে। জরিমানার অর্থ তাদের তিন কিস্তিতে পরিশোধ করতে হয়েছিল।








