চ্যাম্পিয়ন্স লিগের নতুন মৌসুমে বুধবারই প্রথমবার মাঠে নামছে পিএসজি। কিন্তু অভিযান শুরুর ম্যাচে নেইমার, এমবাপের কাউকেই পাচ্ছে না ফরাসি জায়ান্টরা। নিষেধাজ্ঞার কারণে নেইমার, আর ইনজুরির কারণে খেলতে পারবেন না এমবাপে।
গত মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের বিপক্ষে চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ম্যাচে রেফারির সিদ্ধান্ত নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন নেইমার। যার জেরে তাকে তিন ম্যাচের জন্য নিষিদ্ধ করে উয়েফা।
ক্লাব ছাড়া নিয়ে পিএসজি-বার্সেলোনার দীর্ঘ রশি টানাটানির পর অবশেষে মাঠে ফিরেছেন নেইমার। লিগ ওয়ানের ম্যাচে গোল করে দলকে জিতিয়েছেনও। সেই ফর্মটা ইউরোপ সেরার মঞ্চে আপাতত পাচ্ছে না পিএসজি।
অন্যদিকে, সপ্তাহ দুয়েক আগে তুলুজের বিপক্ষে ইনজুরিতে পড়েন এমবাপে। আলাদাভাবে অনুশীলনে ফিরলেও রিয়াল মাদ্রিদের বিপক্ষে মাঠে নামতে পারবেন না তিনি।
পিএসজির সমস্যা আছে আরও। আরেক স্ট্রাইকার এডিনসন কাভানিও এখন পর্যন্ত সেরে ওঠেননি। ইন্টার মিলান থেকে ধারে দলে টানা মাউরো ইকার্দিও শুরুর একাদশে থাকবেন কিনা নিশ্চিত নয়। জুলিয়ান ড্রাক্সলার ও থিলো কেহরারও সাইডলাইনে।
এই ম্যাচেই রিয়ালের বিপক্ষে অভিষেক হতে পারে তাদের সাবেক গোলকিপার কেইলর নাভাসের।
স্বস্তিতে নেই রিয়ালও। ফরোয়ার্ডে এডেন হ্যাজার্ড, হামেস রদ্রিগেজ ও ব্রাহিম ডিয়াজ পুরোপুরি সুস্থ হলেও কোচ জিনেদিন জিদানের চিন্তায় ডিফেন্স ও মাঝমাঠ।
নিষেধাজ্ঞার কারণে পিএসজি ম্যাচে নামতে পারবেন না সার্জিও রামোস এবং নাচো। রক্ষণে রাফায়েল ভারানের সঙ্গে ভরসা কেবল এডার মিলিটাও। যদিও দুজনের মাত্র ৩০ মিনিট একসঙ্গে খেলার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
চলতি মৌসুমে এপর্যন্ত চারটি ম্যাচ খেলেছে রিয়াল। কোনো ম্যাচেই গোলবার অক্ষত রাখতে পারেনি লস ব্লাঙ্কোসরা। চার ম্যাচে ছয় গোল হজম করেছে। এটাই পিএসজির বিপক্ষে বেশি ভাবাচ্ছে জিদানকে।








