জুলাই মাসের প্রথম দিকে বৃষ্টির পর লাভের আশায় বেশিরভাগ কৃষক আগাম আমন ধানের চারা রোপন করেন। কিন্তু কয়েকদিন পরই বৃষ্টি কমে যাওয়ায় জেলার উঁচু এলাকার আমন ক্ষেত ফেটে চৌচির হয়ে যাচ্ছে। অনেক অঞ্চলে সেচ সুবিধা না থাকায় শুকিয়ে মরে যাচ্ছে সদ্য রোপন করা আমন চারা।
কৃষকরা বলেন, জমিতে মেশিনের পানি দিয়ে কুলোয় না। ধানের চারা মরে যাচ্ছে। তাই এবার আবাদ সুবিধা হবে না।
এক বিঘা জমিতে ধান রোপনে কৃষকের খরচ প্রায় পাঁচ হাজার টাকা। আর এই পরিস্থিতিতে সেচ দিয়ে ফসল রক্ষা ও রোপনে খরচ হচ্ছে বাড়তি আরো ২ হাজার টাকা।
কৃষকরা বলেন এমনিতেই খরচ বেশি। ক্ষেত শুকিয়ে যাওয়া খরচ এখন আরো বাড়বে। ধান ক্ষেত বাঁচাতে গভীর ও অগভীর নলকূপ স্থাপন করা হয়েছে।
নীলফামারী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক গোলাম মোঃ ইদ্রিস জানান, ইতিমধ্যে প্রায় সাড়ে তিন হাজার সেচ যন্ত্র চালু হয়েছে এবং আমরা প্রায় সাড়ে ছয় হাজার হেক্টর জমি সম্পূরক সেচের আওতায় আনতে পেরেছি। এটা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।
চলতি বছর এক লাখ ১১ হাজার ১শ ২৩ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।এর মধ্যে প্রায় ৯২ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধানের চারা লাগানো শেষ হয়েছে। সরকার সেচের ওপর ভর্তুকি দিলে ক্ষতি কিছুটা কমানো যেত বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।






