‘নিহত জঙ্গিদের জন্য বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার কেন এতো মায়া কান্না কেনো?’, এ প্রশ্ন তুলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জনগণই এর বিচার করবে।
আওয়ামী লীগের যৌথ সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা যুদ্ধাপরাধীদের প্রতিষ্ঠা করেছে তারাও রাজাকার, তাদেরও মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার হওয়া উচিৎ।
আগামী ২২ ও ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আওয়ামী লীগের জাতীয় সম্মেলন। সম্মেলনকে সামনে রেখে এর সার্বিক প্রস্তুতি ও খুটিনাটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করতে অনুষ্ঠিত দলের যৌথসভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
যোগ দেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি, উপদেষ্টা মন্ডলী এবং সম্মেলন প্রস্তুতি কমিটির সদস্য সচিব ও আহ্বায়করা।
সভার শুরুতে দেয়া বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রী ভাষা আন্দোলন, ৬ দফা, মুক্তিযুদ্ধ, স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলনসহ দেশের সব অর্জনে আওয়ামী লীগের ভূমিকার কথা স্মরণ করেন।
তিনি আরও বলেন, ৭৫ পরবর্তি সময়ে এই দলকে যতবারই ভাঙ্গার চেষ্টা করা হয়েছে, তৃণমূল নেতাকর্মীদের সাহসী ভূমিকায় তা সম্ভব হয়নি।
যখনই উন্নয়নের পথে এগিয়ে যায় দেশ তখনই জ্বালাও-পোড়াও, সন্ত্রাস করে পিছিয়ে দেয়ার অপচেষ্টা চলে। সাম্প্রতিক জঙ্গিবাদ তারই অংশ বলেও মনে করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি।
দেশের অগ্রযাত্রায় জনগণের সহযোগিতার কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, উন্নয়নের অগ্রযাত্রা কেউই ব্যহত করতে পারবে না।








