দাতব্য সংস্থা অক্সফাম বলেছে, বিদেশী অর্থায়নের লাইসেন্স হারানোর পর তাদের কাজ গুলো গুরুতরভাবে প্রভাবিত হবে।
দাতব্য সংস্থা অক্সফাম ইন্ডিয়ার এর বরাত দিয়ে বিবিসি’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে লাইসেন্স বাতিলের নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়ার আবেদন জানাবে দাতব্য সংস্থাটি।
বিদেশী তহবিলের উপর এই নিষেধাজ্ঞা ১ জানুয়ারি ২০২২ থেকে কার্যকর হবে।
যদিও অক্সফাম ইন্ডিয়া তাদের লাইসেন্স বাতিলের কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট করে কিছু জানায় নি। তবে ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে জানিয়েছে, ছয় হাজারের বেশি এনজিও ও বিভিন্ন সংস্থা বিদেশি তহবিল সংক্রান্ত লাইসেন্স নবায়নের জন্য আবেদন করেনি। ওই এনজিওগুলোকে লাইসেন্স নবায়নের জন্য নির্ধারিত সময়ের আগেই নোটিস পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু প্রতিষ্ঠানগুলো আবেদন না করায় তাদের লাইসেন্স বাতিল হয়ে যায়।
সংস্থা গুলোকে বিদেশী অনুদান নিয়ন্ত্রণ আইনে (এফসিআরএ) সঠিক সময়ে নবায়নের আবেদন করার কথা বলা হয়েছিল।
ভারতে দাতব্য সংস্থা, এনজিও এবং বিদেশী তহবিল প্রাপ্ত যেকোন অলাভজনক সংস্থার জন্য ফরেন কন্ট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্ট (এফসিআরএ) এর অধীনে নিবন্ধন বাধ্যতামূলক।
মাদার তেরেসার মিশনারিজ অব চ্যারিটির জন্য বিদেশী তহবিল বাতিলের এক সপ্তাহ পর এই সিদ্ধান্ত আসে।
অক্সফাম ইন্ডিয়া এক বিবৃতিতে জানায়, লাইসেন্স বাতিল করা সরকারের সিদ্ধান্ত কিন্তু এই সময়ে আমাদের বিদেশি অনুদান প্রয়োজন।আমরা ১৬টি রাজ্যে বেশ কিছু মানবিক ও সামাজিক কাজ করছি। এতে কাজগুলো ব্যাপকভাবে বাধাগ্রস্ত হবে।
অনুদান সংক্রান্ত লাইসেন্স বাতিল হওয়া এনজিওদের তালিকায় অক্সফাম ইন্ডিয়া ট্রাস্ট, জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া, দ্য ইন্ডিয়ান মেডিকেল অ্যাসোসিয়েশন এবং লেপ্রোসি মিশনের মতো উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠান রয়েছে।
গত কয়েক মাস আগেই প্রতিষ্ঠানগুলোও লাইসেন্সের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এই তালিকায় আছে টিউবারকুলোসিস অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্ডিয়া, দ্য ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর আর্টস এবং ইন্ডিয়া ইসলামিক কালচারাল সেন্টারের মতো শীর্ষ প্রতিষ্ঠানগুলো ।







