চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির ফাইনালে সেঞ্চুরি করে ভারতকে উড়িয়ে দেয়া ফখর জামান একবার ‘নিষিদ্ধ’ হয়েছিলেন! এমনই অবাক করা খবর দিয়েছে পাকিস্তানি গণমাধ্যম ‘দ্য ডন’। পত্রিকাটি বলছে, ভালো খেলার কারণে নিজ গ্রামে তাকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। এমনকি বিভিন্ন সময়ে তাকে মারধরও করা হতো। তাকে দলে নিলে অন্য দলের খেলোয়াড়রা ঘোর আপত্তি তুলতেন। তাতে খেলাই ভেস্তে যেত!
ভারতের বিপক্ষে ফখর সেদিন অল্প রানে জীবন পান। বুমরাহর ‘নো’ বলের কারণে বেঁচে যান তিনি। এরপর ১১৪ রানের ঐতিহাসিক ইনিংস খেলে দলকে চ্যাম্পিয়ন বানান।
সেঞ্চুরি করার পর ফখর বলেন তার কিছু মনেই হয়নি, ‘ওই সময় আমার বেশি কিছু মনে হয়নি। কিন্তু ধীরে ধীরে মানুষের উচ্ছ্বাস দেখে বুঝতে পারছি কিছু একটা হয়েছে।’
ছেলেবেলার কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘‘স্কুলে শক্ত বল খেলতাম। এবং কিছু রানও করেছিলাম। সেই সময় গোটা এলাকায় পরিচিতি পাই। তখন অন্যরা বলতো, ‘ও শক্ত বল খেলে। ওকে খেলতে নিবো না।’’’
ফখর বলেন, শৈশবে তিনি ক্রিকেটারই হতে চাইতেন। কিন্তু কখনো ক্লাব পর্যায়ে খেলা হয়নি। এক সময় নেভিতে যোগ দেন।
‘‘নেভিতে যোগ দেয়া আমার ক্যারিয়ারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ছিল। নেভির কোচ নাজিম খান আমাকে বলেন, ‘তুমি জাতীয় দলে খেলার যোগ্যতা রাখো।’ সেই থেকে আমি ক্রিকেট নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করি।’’








