আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন থেকে সরে যাওয়ার অজুহাত খুঁজছে বিএনপি। বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার জামিন নিয়ে তাই একের পর এক অভিযোগ করছেন দলটির নেতারা।
শুক্রবার যাত্রাবাড়ি থানাধীন মৃধাবাড়ি এলাকায় ফিটনেসবিহীন যানবাহনের বিরুদ্ধে বিআরটিএ মোবাইল কোর্ট পরিদর্শন করেন ওবায়দুল কাদের।
এসময় তিনি বলেন: ঈদ সামনে রেখে ফিটনেসবিহীন গাড়ি ও উল্টো পথের গাড়ির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে বিআরটিএ ও প্রশাসনকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
‘‘এসবের দায়িত্ব বিআরটিএর। তারা কি নাকে তেল দিয়ে ঘুমিয়েছে! ঈদের সময় কোটি মানুষ ঢাকা থেকে ঢাকার বাইরে চলে যাবে। এসময় ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো রংচং করিয়ে লক্কর-ঝক্কর গাড়িগুলো রাস্তায় নামানো হয়। এগুলো রাস্তায় বিকল হয়ে যানজটের সৃষ্টি করে’’, বলেন ওবায়দুল কাদের।
ঈদে ঘরে ফেরা মানুষের জন্য রাস্তা দায়ী থাকবে না দাবি করে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন: সড়ক জন্য এবারের ঈদে যানজট হওয়ার কোনো কারণ নেই। বাংলাদেশের কোথাও রাস্তার জন্য যানজট হবে না, কিন্তু এই ফিটনেসবিহীন গাড়িগুলো যানজটের সৃষ্টি করতে পারে। এজন্য আমি বিআরটিএকে ফিটনেসবিহীন গাড়ির ব্যাপারে সতর্ক করেছি।
তিনি বলেন: গাড়ি রাস্তায় বিকল হয়ে গেলে রেকার এনে সরাতে দীর্ঘ সময় লাগে। ততক্ষণে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়ে যায়।
যেসব গ্যারেজে ফিটনেসবিহীন গাড়িতে রঙ করে আবার রাস্তায় নামানো হচ্ছে, সেসব গ্যারেজে এই অভিযান চলবে বলে জানান মন্ত্রী।
এসময় মোবাইল কোর্ট চলাকালীন চারটি গ্যারেজের (এমএস অটোমোবাইলস, সেন্টু অটোমোবাইলস, হারুন অটোমোবাইলস, সাফায়েত অটোমোবাইলস) চৌদ্দটি গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা নিরীক্ষা করে দুটি গাড়ির ফিটনেস ডেট ওভার পাওয়া। ওই দুটি গাড়ি ডাম্পিংয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন মন্ত্রী।
গ্যারেজ মালিক ইকবাল, মোঃ সোহাগ, দেলোয়ার হোসেন, মোঃ বিজয় ও মোঃ সাফায়েত এর কাছে গ্যারেজের বৈধতা সংক্রান্ত কাগজপত্র না থাকায় বিশ হাজার টাকা করে আশি হাজার টাকা এবং একটি গাড়ির মালিককে পনের হাজার টাকা জরিমানা করে মোবাইল কোর্ট। অভিযুক্তরা ভবিষ্যতে ফিটনেস বিহীন গাড়ির কাজ করবে না মর্মে প্রতিশ্রুতি দেন।







