গত মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রুশ হস্তক্ষেপ তদন্তের দায়িত্বে থাকা একটি সিনেট প্যানেল এবার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাবেক জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইকেল ফ্লিনের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য চেয়ে তাকে তলব করেছে।
ফ্লিন স্বেচ্ছায় তদন্তকাজে সহযোগিতা করতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে আনুষ্ঠানিকভাবে তথ্য ও দলিলাদি চেয়ে দাবি ইস্যু করা হয়েছে বলে জানিয়েছে সিনেট ইন্টেলিজেন্স কমিটি।
কমিটি জানায়, তদন্ত সংশ্লিষ্ট কাগজপত্র জমা দেয়ার জন্য গত ২৮ এপ্রিল ফ্লিন বরাবর অনুরোধ করা হয়। কিন্তু ফ্লিন সেসব দিতে অপারগতা জানালে ইন্টেলিজেন্স কমিটি তথ্য দাবি করে সাপিনা (হাজিরা দেয়ার সমন) জারি করে।
মাইকেল ফ্লিন রুশ কূটনীতিকদের সঙ্গে হওয়া আলোচনার তথ্য প্রকাশ করতে রাজি না হওয়ায় গত ফেব্রুয়ারিতে তাকে ট্রাম্প সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা পদ থেকে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়।
সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল ফ্লিন জানুয়ারিতে ট্রাম্পের শপথ গ্রহণের আগে রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা বিষয়ে দেশটির কূটনীতিক রার্গেই কিসলিয়াকের সঙ্গে হওয়া আলোচনা গোপন করে হোয়াইট হাউজকে বিভ্রান্ত করেছেন – এ অভিযোগে তাকে পদত্যাগে বাধ্য করা হয়।
এরপর আবার গত মঙ্গলবার ট্রাম্প নিজেই এফবিআই প্রধান জেমস কোমিকে বরখাস্ত করেন। এর কারণ হিসেবে জানানো হয়, নভেম্বরের মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক দলের প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের ইমেইল কেলেঙ্কারি তদন্ত সংক্রান্ত কর্মকাণ্ডে ত্রুটি থাকায় তাকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে।
তবে ডেমোক্র্যাটরাসহ অনেকেই বলছেন, কোমি ও তার সংস্থা এফবিআই মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রাশিয়ার সম্পৃক্ততা এবং ওই সময় ট্রাম্পের নির্বাচনী প্রচারণায় দেশটির সম্ভাব্য সংশ্লিষ্টতার বিষয়টি তদন্ত করছিলেন। আর এজন্যই তাকে চাকরি হারাতে হয়েছে।
মার্কিন গণমাধ্যমগুলোতে বলা হয়েছে, কোমি কিছুদিন আগেই বিচার বিভাগের কাছে ট্রাম্প-রাশিয়া তদন্তের জন্য আরও বেশি তথ্যসূত্র চেয়েছিলেন।







