পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচনে জয়ের আশা নিয়ে লড়ছেন পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) নেতা সাবেক তারকা ক্রিকেটার ইমরান খান।
তবে তার পক্ষে দেশটির সামরিক বাহিনী ভোটগ্রহণসহ সামগ্রিক নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
নিহত সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোর দল পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে তার ছেলে বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি লড়লেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা মূলত চলছে পিএমএল-এন এবং পিটিআইয়ের মধ্যে।
নির্বাচনপূর্ব জরিপে এ পর্যন্ত পিটিআই সামান্য এগিয়ে রয়েছেন বলে জানিয়েছে স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো।
প্রায় দুই দশক ধরে পাকিস্তানের রাজনীতিতে যুক্ত ইমরান খান। কিন্তু এ পর্যন্ত একবারও সরকার গঠনের সুযোগ তার হয়নি।
বুধবার ইমরান সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, জনগণের সমর্থন নিয়ে ভোটের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরীফের পাকিস্তান মুসলিম লীগকে (পিএমএল-এন) হারিয়ে এবারের নির্বাচনে ক্ষমতায় যেতে চান তিনি।
কিন্তু মানবাধিকার সংস্থার দাবি, ভোটগ্রহণ বাধাগ্রস্ত ও প্রভাবিত করার জন্য ‘নির্লজ্জ’ চেষ্টা চলছে।
অতীতে বহুবার সেনা শাসন আর নির্বাচিত সরকারের টানাপোড়েন দেখা পাকিস্তানে ১০ বছরে দু’টি সরকার মেয়াদ পূর্ণ করেছে। পাকিস্তানের গণতন্ত্রের জন্য এটি সুখবর হলেও নিরব অভ্যুত্থানের আভাস রয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের অভিযোগ ভেতরে-ভেতরে নির্বাচনের কলকাঠি নাড়ছে সেনাবাহিনী।
এ পর্যন্ত কোয়েটা, লারকানাসহ বেশ কিছু এলাকায় ভোটকেন্দ্রে সংঘর্ষ, বোমা ও গুলিবর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পিপিপিসহ বিরোধী দলগুলোর কয়েকটি ক্যাম্পে হামলার ঘটনা ঘটেছে বলেও জানিয়েছে ডন।
বুধবার স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে শুরু হওয়া ভোটগ্রহণ শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টায় (বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টা)।







