ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী বীরেন শিকদার বলেছেন, পাবনার হেমায়েতপুরে ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রমের সেবক নিত্যরঞ্জন পান্ডে হত্যাকাণ্ড পরিকল্পিত। শুক্রবার সন্ধ্যায় পাবনার হেমায়েতপুরে নিত্যরঞ্জনের মরদেহ দেখতে গিয়ে এ কথা বলেন তিনি।
মন্ত্রী বলেন, যারা আগুন সন্ত্রাস করে সরকারকে হটাতে ব্যর্থ হয়েছে তারাই কৌশল পাল্টে এসব হত্যাকাণ্ড ঘটাচ্ছে। মন্ত্রী নিহত নিত্যরঞ্জনের মরদেহে প্রধান মন্ত্রীর পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা জানান।
ওই হত্যার ঘটনায় অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামী করে মামলা হয়েছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল্লাহ আল হাসান জানান, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে অনুকুল আশ্রমের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক যুগোল কিশোর ঘোষ বাদি হয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামী করে মামলাটি দায়ের করেন। তবে এ মামলায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার ২৯ ঘন্টা অতিবাহিত হলেও পুলিশ হত্যাকাণ্ডের ক্লু উদঘাটন করতে পারেনি। সনাক্ত করতে পারেনি হত্যাকারীদের।
হত্যাকাণ্ডের খবর পেয়ে হেমায়েতপুরে ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র আশ্রমে পরিদর্শনে যান র্যাব-১২ এর অধিনায়ক
এডিশনাল ডিআইজি সাহাবুদ্দিন খান বিপিএম এবং রাজশাহীতে নিযুক্ত ভারতের সহকারি হাই কমিশনার অভিজিৎ চট্টোপাধ্যায়। র্যাব-১২ এর অধিনায়ক সাহাবুদ্দিন খান সাংবাদিকদের বলেন, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত থাকুক তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে।
এর আগে হত্যার প্রতিবাদে হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ শহরে মানববন্ধন এবং নিত্যরঞ্জনের মরদেহ নিয়ে মিছিল করে।
শুক্রবার ভোর সোয়া পাঁচ থেকে সাড়ে ৫টার দিকে অজ্ঞাতনামা দৃর্বৃত্তরা নিত্য রঞ্জনকে পাবনা মানসিক হাসপাতালের প্রধান ফটকে কুপিয়ে হত্যা করে।
নিহত নিত্য রঞ্জন গোপালগঞ্জ জেলার মুকুসুদপুর উপজেলার আরুয়া কংশুর গ্রামের প্রয়াত রসিকলাল পান্ডের ছেলে। তিনি ৩৫ বছরের বেশি সময় ধরে পাবনার ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র আশ্রমে সেবক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার স্ত্রী ও সন্তানরা গোপালগঞ্জে থাকেন।








