নিউজিল্যান্ডের উপকূলীয় এলাকার সাউথ আইল্যান্ড-এ দ্বিতীয় দফায় শক্তিশালী ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। বাংলাদেশ সময় ভোর ৬.৪৫ মিনিটে ৬.১ মাত্রার কম্পনটি অনুভূত হয়।
সাউথ আইল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চ এলাকার উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১০ কিলোমিটার গভীরে কম্পনটির উৎপত্তি। নতুন ভূমিকম্পে হতাহতের খবর এখনো পাওয়া যায়নি। পূর্ব উপকূলে উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে পুলিশ ও উদ্ধারকর্মীরা।
রোববার বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা ৭টার দিকে হওয়া প্রথম দফা ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৭.৮। স্থানীয় সময় মধ্যরাতের কিছু পরে ঘটা ভূমিকম্পে দু’জনের মৃত্যু হয়েছে। ভূমিকম্পটির প্রভাবে ওই এলাকায় সুনামি আঘাত হানে।
প্রথম ভূমিকম্পের পরই গণমাধ্যম ও সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ মানুষের জন্য সুনামি সতর্কতা জারি করে দেশটির সিভিল ডিফেন্স মন্ত্রণালয়। ওই সতর্কবার্তায় বলা হয়, “সুনামির সৃষ্টি হয়েছে। প্রথম ঢেউ ইতোমধ্যে সাউথ আইল্যাুন্ডের উত্তর-পূর্ব উপকূলে আঘাত হেনেছে।”
আরও কয়েকটি ঢেউ উপকূলে আঘাত হানতে পারে জানিয়ে উত্তর, পূর্ব ও দক্ষিণ উপকূল এবং চাথাম আইল্যান্ডের বাসিন্দাদের উঁচু এলাকায় সরে যেতে বলা হয় সতর্কবার্তায়। ভূমিকম্পটির পর শতাধিক আফটারশক অনুভূত হয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

মার্কিন ভূতত্ত্ব জরিপ সংস্থা ইউজিএস এর তথ্যানুযায়ী ক্রাইস্টচার্চ শহরের ৯৫ কিলোমিটার দূরে ৭.৮ মাত্রার প্রথম ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। এর প্রায় দু’ঘণ্টা পর উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় উপকূলে সুনামি আঘাত হানে। কর্মকর্তারা বলছেন, প্রথম ঢেউগুলো হয়তো সবচেয়ে বড় নয়, তবে কয়েক ঘণ্টা ধরে সুনামি চলতে পারে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের উঁচু জায়গায় আশ্রয় নিতে বলা হয়েছে। প্রাথমিক ঢেউয়ের উচ্চতা ৮ ফুট ২ ইঞ্চি পর্যন্ত মাপা হয়েছে। ওয়েলিংটনসহ অন্য কিছু এলাকায় অপেক্ষাকৃত কম উচ্চতার কিছু ঢেউ আঘাত হানছে।
তবে সিভিল ডিফেন্স মন্ত্রণালয় বলেছে, সাউথ আইল্যান্ডের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সর্বোচ্চ ১৬ ফুটেরও বেশি উচ্চতার ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে।








