টি২০ বিশ্বকাপের প্রথম সেমিফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে উড়িয়ে ফাইনালে পৌঁছে গেছে ইংল্যান্ড। নিউজিল্যান্ডের ছুড়ে দেওয়া ১৫৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে ১৭ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের বিশাল জয় পায় ইংলিশরা।
সেমিফাইনালের আক্ষেপ যেনো পিছু ছাড়ছে না কিউইদের। ২০০৭’র পর এবারও সেমিফাইনাল খেলে বিদায় নিতে হলো কেন উইলিয়ামসনের দলের। অন্যদিকে ২০১০ সালের পর এবারও সেমিফাইনাল খেলে ফাইনালে পৌঁছালো ইংল্যান্ড।
টসে হেরে ব্যাট করতে নেমে, শুরুটা অবশ্য খুব একটা ভালো হয়নি কিউইদের। স্কোর বোর্ডে ১৭ রান যোগ হতেই প্যাভিলিয়নের পথ ধরেন মার্টিন গাপটিল। তৃতীয় ওভারের শুরুতেই গাপটিলকে ফিরিয়ে ইংলিশদের প্রথম সাফল্য এনে দেন ডেভিড ওয়ালি। বাটলারের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন গাপটিল। তার বিদায়ে ক্রিজে আসেন কলিন মুনরো।
মুনরো-উইলিয়ামসন জুটিতে ঘুরে দাঁড়ায় নিউজিল্যান্ড। তাদের জুটিতে থেকে যোগ হয় ৭৬ রান। এরপরই ফিরে যান উইলিয়ামসন। মঈন আলীর শিকার হয়ে ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ৩২ রান।
উইলিয়ামসনের ১৬ রান পরই অর্ধশত থেকে মাত্র ৪ রান দূরে থাকতে ফেরেন কলিন মুনরো। লিয়াম প্লাঁকেটের বলে তিনি মঈন আলীর হাতে ক্যাচ দেন।
১৭তম ওভারে রস টেলরকে ফিরিয়ে কিউইদের রানের চাকা টেনে ধরেন ক্রিস জর্ডান। অফ সাইডে তিনি মরগানের হাতে ক্যাচ দেন। স্কোর বোর্ডে রান তখন ১৩৪। শেষ দিকে আর কোন ব্যাটসম্যানের ব্যাট না হাসলে নির্ধারীত ২০ ওভার শেষে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৫৩ রানে থামে কিউইদের ইনিংস। ইংলিশদের পক্ষে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট পান বেন স্টোকস।
কিউইদের ১৫৩ রানের জবাবে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা দুর্দান্ত ছিলো ইংলিশদের। জেসন রয় এবং অ্যালেক্স হেলসের ওপেনিং জুটি থেকেই তারা তুলে নেন ৮২ রান।
এরপর ১৯ বলে ২০ রান করে হেলস ফিরে গেলেও অপর প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা রয় ব্যাট হাতে তাণ্ডব চালাতে থাকেন। শেষ পর্যন্ত ১৭ বল হাতে রেখেই ৭ উইকেটের জয় পায় ইংল্যান্ড। সর্বোচ্চ ৭৮ রান করে আউট হন জেসন রয়।







