শাহ ফারুক, নিউইয়র্ক প্রতিনিধি: নিউইয়র্কের জ্যামাইকা মুসলিম সেন্টারে প্রয়াত আবৃত্তিকার কাজী আরিফের নামাজে জানাযা সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বাদ মাগরিব তার জানাযা সম্পন্ন হয়।
রোববার নিউইয়র্ক সময় রাত সাড়ে এগারটায় মরদেহ এমিরেটস এয়ার লাইন্সেস একটি ফ্লাইটে বাংলাদেশে পাঠানো হবে। ধারণা করা হচ্ছে সোমবার তার মরদেহ বাংলাদেশে এসে পৌঁছুবে।
নিউইয়র্কে কাজী আরিফের জানাযায় অংশ নেন জাতিসংঘে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাসুদ বিন মোমেন, নিউইয়র্কে বাংলাদেশের ডেপুটি কনসাল জেনারেল শহিদুল ইসলাম, যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগের সভপতি ডক্টর সিদ্দিকুর রহমান, সাংবাদিক, সাহিত্যিক, মুক্তিযাদ্ধা, শিল্পীসহ সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ।
জানাযার অাগে রাষ্ট্রদূত বলেন, কাজী আরিফ জীবন বাজি রেখে দেশকে স্বাধীন করেছেন। আর তার মন্ত্রমুগ্ধ আবৃত্তি দিয়ে দেশের এই শিল্পকে নিয়ে গেছেন অন্য উচ্চতায়।
স্থপতি কাজী আরিফ বন্ধুবৎসল ছিলেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, হাসপাতালের বিছানায় থেকেও তিনি সবার সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করে গেছেন।
সাপ্তাহিক বাঙ্গালির সম্পাদক কৌশিক আহমেদ বলেন, কাজী আরিফ কবিতা বুঝে আবৃত্তি করতেন। এখানেই তিনি ছিলেন অন্যদের চেয়ে আলাদা। স্থপতি ছিলেন বলেই হয়তো তার মধ্যে এ গুণটি কাজ করেছিলো।
জানাযার পর বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন তার মরদেহে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। শনিবার নিউইয়র্ক সময় দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে মাউন্ট সেইন্ট লুকস হাসপাতালে কাজী আরিফ শেষ নি:শ্বাস ত্যাগ করেন।







