চরম আর্থিক সংকটে থাকা গ্রিসে রোববারের গণভোটকে ঘিরে পাল্টাপাল্টি সমাবেশ হয়েছে। আর্থিক সংকটে বিপর্যস্ত গ্রিসকে এরই মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঋণখেলাপি ঘোষণা করেছে ইইউ’র সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পাওনাদারদের সঙ্গে আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর হাতকে শক্তিশালী করতে এবং ইউরোপীয় নেতাদের হুমকি উপেক্ষা করে দেশবাসীকে ‘না’-এর পক্ষে মত দেওয়ার আহবান জানালেন গ্রিসের প্রধানমন্ত্রী অ্যালেক্সিস সিপ্রাস।
অন্যদিকে ইউরোপীয় নেতারা বলছেন, ‘না’ ভোট গ্রিসের সঙ্গে আলোচনার পথ বন্ধ করে দেবে, সেই সঙ্গে ত্বরান্বিত করবে ইইউ থেকে বেরিয়ে যাওয়া, যা গ্রিসের জন্য অপূরণীয় ক্ষতির কারণ হবে।
জনমত জরিপে দেখা গেছে, ‘হ্যাঁ’ ও ‘না’-র পক্ষে সমর্থন খুব কাছাকাছি। হ্যাঁ-র পক্ষে ৪৪ শতাংশ ও না’র পক্ষে ৪৩ শতাংশ জনগণ।
অর্থনীতি এবং রাজনীতি এই দুইয়ের দ্বন্দ্বে এখন গ্রিস। তাই গণতন্ত্রের সূতিকাগার গ্রিসে গণভোটের ফল সংকট নিরসনে কতটুকু ভূমিকা পালন করবে তাই দেখার অপেক্ষায় গোটা বিশ্ব।







