সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বদরুল আলমের চাপাতির কোপে মারাত্মক আহত নার্গিস ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠবে বলে আশা করছেন নার্গিসের স্বজনেরা। তারা বলছেন, বদরুলের মতো ছেলে যাতে এ দেশে আর একটিও না জন্মায়। বদরুলের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিও জানান তারা।
রাজধানীর স্কয়ার হাসপাতালে ৪ঠা অক্টোবর ভর্তির পর থেকেই আইসিইউতে লাইফ সাপোর্টে থাকা খাদিজা আক্তার নার্গিসের অবস্থার কিছুটা উন্নতি হয়েছে। হাসপাতালের নিউরো সার্জারি ও ক্রিটিক্যাল কেয়ার বিভাগ নার্গিসকে ৯৬ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখার পর শনিবার আনুষ্ঠানিকভাবে তার অবস্থা জানায়। তারপর থেকেই নার্গিসকে নিয়ে নতুন করে আশায় বুক বেঁধেছেন স্বজনেরা।
নার্গিসের চাচা ফয়জুল ইসলাম জানান, অবস্থা মোটামুটি ভালোই আছে। ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে। ডাক্তাররা বলেছেন ধীরে ধীরে আরো উন্নতি হবে। আমরা আশাবাদী যে, সে ধীরে ধীরে ভালো হয়ে উঠবে। যে ছেলে এমন ঘটনা ঘটিয়েছে, এমন ছেলে যেন আর বাংলাদেশে জন্ম না নেয়। তার বিচার আমরা চাই।
নার্গিসের মাথায় মঙ্গলবার জটিল অস্ত্রোপচারের পর ঝুঁকিপূর্ণ ৭২ ঘণ্টা অতিক্রম করায় আশাবাদী হয়ে ওঠেন চিকিৎসকরা। আরো কয়েক সপ্তাহ নার্গিসকে পর্যবেক্ষণে রাখার পরামর্শ দেন তারা। চিকিৎসকদের আশা, নার্গিস ঝুঁকিপূর্ণ সময় পার করে বাঁচার জন্য লড়ছেন। স্বজনরাও নার্গিসকে ফিরে পাওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।
ফয়জুল ইসলাম আরো বলেন, দিনে দুইবার আমরা তাকে দেখতে পায়, সকালে আর বিকালে। আজ গিয়েও জানতে চেয়েছি কি অবস্থা। ডাক্তাররা বলেছে, অবনতির দিকে নাই, উন্নতির দিকেই আছে।
৩ অক্টোবর সিলেট মহিলা কলেজের শিক্ষার্থী খাদিজা আক্তার নার্গিসকে নির্মমভাবে চাপাতির আঘাতে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করে সিলেট বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বদরুল আলম। ৪ অক্টোবর উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠনোর পর থেকে ঢাকার স্কয়ার হাসপাতালে নার্গিসকে লাইফ সাপোর্ট দিয়ে রাখা হয়েছে।







