সম্প্রতি ধর্ষণ নিয়ে সালমান খানের বেফাঁস মন্তব্যের কারণে প্রায় গোটা দেশ উত্তাল। এরপরই আস্তে আস্তে বের হয়ে আসছে সালমানের খারাপ কিছু রেকর্ড। যাতে সালমানের ভক্তরা রীতিমতো অবাক হচ্ছেন। সালমানের কাছে গণধর্ষিতা সুনীতা কৃষ্ণনের চিঠি ভাইরাল হওয়া পর এবার ভাইরাল হল দ্য হিন্দু’র সম্পাদকের একটি টুইট।
সম্প্রতি ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার সম্পাদক সচিন কালবাগ একটি টুইট করেছেন, যেখানে তিনি একটি পুরনো ঘটনার উল্লেখ করেছেন। প্রায় বছর দশেক আগে জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত এক নারী সাংবাদিক নিয়ে সালমান ব্যাপক সমালোচনায় পড়েছিলেন। তার ব্যবহারে রীতিমতো মিডিয়া অঙ্গণ ছাড়াও সাধারণ মানুষ অবাক হয়েছিলেন।
ঘটনার সূত্রপাত ওই নারী সাংবাদিক সালমান খানের বেশ কিছু সিনেমার সমালোচনা করেছিলেন। এরপর যখন সেই সাংবাদিক সালমানের সাক্ষাতকার নিতে যান, তাকে রোদের মধ্যে দাঁড় করিয়ে অপেক্ষা করানো হয় প্রায় একঘণ্টা। এরপর সালমান এসে যা করেছিলেন তাতে রীতিমতো চমকে যান ওই সাংবাদিক।
তাকে সেটের একটি জীর্ণ খাটিয়ার উপর বসতে বলে দাবাং খান আর সামনেই একটি গাছের গুঁড়িতে প্রস্রাব করেন তিনি। অভিনেতার এমন হেন ব্যবহারে অত্যন্ত অপমানিত হয়ে সেই নারী সাংবাদিক সাক্ষাতকার না নিয়েই চলে আসেন।
এই পুরো ঘটনাটি ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার সম্পাদক পেয়েছেন সাংবাদিক এবং চলচ্চিত্র সমালোচক ময়াঙ্ক শেখরের একটি বই ‘নেম প্লেস অ্যানিমাল থিংগ’ থেকে। এই ঘটনা সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড হওয়ার পর তা রীতিমত ভাইরাল হয়ে যায়। সালমান যে বলিউডের ‘ব্যাড বয়’ তা তিনি বার বার নানা ঘটনায় প্রমাণ দিয়েছেন। কিন্তু তাই বলে একজন নারীর সামনে প্রস্রাব করা এ কেমন ব্যবহার।
সম্প্রতি ‘সুলতান’ ছবির শুটিং প্রসঙ্গে সালমান বলেন, ছবির কুস্তি প্রশিক্ষণের সময় সালমানকে যেমন কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে তেমনি এর শুটিংও ছিল প্রচন্ড কষ্টসাধ্য। কখনো টানা ছয় ঘন্টা কুস্তির অভিনয়ও করতে হয়েছে সালমানকে। যা নাকি বাস্তবে কুস্তি করার চেয়েও কঠিন।
শুটিংয়ের পর তিনি কতোটা ক্লান্ত হয়ে পড়তেন তা বুঝানোর জন্য বলেন, কুস্তির দৃশ্যের শুটিং শেষে বের হয়ে আসার সময় নিজেকে ধর্ষিত নারীর মতো মনে হতো। আমি তখন সোজা হয়ে হাঁটতেও পারতাম না।







