মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, নারীর ক্ষমতায়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়ন। নারীর সত্যিকার ক্ষমতায়নে পুরুষদের সম্পৃক্ত হতে হবে, সচেতন হতে হবে এবং ভূমিকাও রাখতে হবে।
উন্নয়ন সহযোগী টিম (ইউএসটি) এবং দৈনিক ভোরের কাগজ আয়োজিত ‘রাজনৈতিক অংশগ্রহণে নারী-পুরুষ সমতা নিশ্চিতকরণের জন্য তৃণমূল নারীদের নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা’ শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠকে আজ প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার সবচেয়ে নারীবান্ধব হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার নারীর সামাজিক, রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক ক্ষমতায়নে বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ ক্ষেত্রে সরকার দাতাসংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগী এনজিওগুলোর সঙ্গেও কাজ করছে। এ কারণেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলেও আমরা নারী সমাজের সোচ্চার ভূমিকা দেখতে পাচ্ছি।
তৃণমূল নারীদের কথা প্রতিমন্ত্রীকে জানানোর জন্য এই গোলটেবিল বৈঠকের আয়োজন করা হয়েছে জানিয়ে শ্যামল দত্ত বলেন, সার্বিক উন্নয়নে সাধারণ জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার মাধ্যমে সমতা ও স্বাবলম্বী সমাজ গঠন করতে হবে। স্থানীয় পর্যায়ে উন্নয়নমূলক রাজনীতিতে নারী-পুরুষের সমতা আনতে হবে।
উপসচিব আমিনুল ইসলাম বলেন, দেশে যৌতুক, বাল্যবিয়ে, নারী নির্যাতন প্রতিরোধে অনেক ভালো আইন থাকলেও তা বাস্তবায়ন হচ্ছে না। আর এই আইনগুলো বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে স্থানীয় পর্যায়ের প্রতিনিধিদের এগিয়ে আসতে হবে। তা না হলে সত্যিকার নারীর ক্ষমতায়ন কখনই সম্ভব নয়।
ভোরের কাগজের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত বৈঠকটি সঞ্চালনা করেন ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত। অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রাণালয়ের উপসচিব ও ন্যাশনাল ইনিশিয়েটিভ টু এন্ড ভায়োলেন্স এগেইনস্ট চিলড্রেনের (সাইভ্যাক) প্রকল্প পরিচালক ডা. মো.আমিনুল ইসলামসহ বিভিন্ন এনজিও এবং বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থার উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তারা।
মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজের প্রভাষক মো. ইমরান হোসেন ভূইঞা। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন ইউএসটির নির্বাহী পরিচালক শাহ্ মো. আনোয়ার কামাল।







