নারায়ণগঞ্জের বন্দরে প্রবাস ফেরত যুবক উজ্জ্বল মিয়া হত্যা মামলার রায়ে ৪ জনের মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে আদালত মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রত্যেক আসামীকে ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছে। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামী সুজনকে আরো ৩ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড এবং অনাদায়ে এক মাসের সশ্রম কারাদণ্ড প্রদান করে। অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় আদালত ৬ আসামীকে বেকসুর খালাস দিয়েছে।
সোমবার বেলা ১১টার দিকে নারায়ণগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রথম বিচারক মিয়াজী শহীদুল আলম চৌধুরী এই রায় ঘোষণা করেন। দণ্ডপ্রাপ্ত আসামীরা হএন- বন্দর উপজেলার সোনাকান্দা এলাকার সুজন(২৪), কালু(৪৮), আজমান(২৬), আবুল কাশেম(৫০)। রায় ঘোষণাকালে দণ্ডপ্রাপ্ত ৪ আসামীর মধ্যে শুধু সুজন উপস্থিত ছিলো, অন্য ৩ জন আগে থেকেই পলাতক। মামলায় রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী ছিলেন অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর আব্দুর রহিম এবং আসামীপক্ষে ছিলেন এডভোকেট সুলতান উজ্জামান।
রায়ে নিহত উজ্জলের মা বকুল বেগম সন্তোষ প্রকাশ করে অবিলম্বে রায় কার্যকরের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ছেলের হত্যার বিচার পেয়েছি। আমার ছেলের মতো যারা মারা গেছে তাদের মারাও যেনো এরকম বিচার পায়। তবে মহিলা আসামীরা কীভাবে মুক্তি পেয়ে গেলো তা বুঝতে পারলাম না।
২০১২ সালের জুন মাসে বন্দর উপজেলার সোনাকান্দা বড় মসজিদ এলাকায় প্রবাস ফেরত মো: উজ্জ্বল মিয়া সাথে সিটারেটের লাইটার নিয়ে প্রধান আসামী সুজনের বাগবিতন্ডা ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ওইসময় আসামীরা ছুরিকাঘাতে উজ্জলকে হত্যা করে। নিহত উজ্জ্বলের বাবা লুৎফর রহমান বাদী হয়ে সুজনসহ ১০ জনের নামে হত্যা মামলা দায়ের করে। পুলিশ তদন্ত শেষে ১০ আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করে। আদালত ১৪ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষে এই মামলার রায় ঘোষণা করে।







