‘বন্ধু তোকে আজ মিস করছি ভীষণ’, ‘বন্ধু ছাড়া কি জীবন চলে’ এরকম নানা বাণী আর গান-কবিতার ছড়াছড়িতে পালিত হচ্ছে বিশ্ব বন্ধু দিবস। আগস্ট মাসের প্রথম রোববার পালন করা হয় এ দিনটি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক, মোবাইল এসএমএস আর সরাসরি ফুল-কার্ড-উপহার আদান-প্রদানের মধ্য দিয়ে দিনটিকে বিশেষ একটি রুপ দিয়ে যাচ্ছে নানা বয়সী মানুষেরা।
১৯৩৫ সালে মার্কিন কংগ্রেস বন্ধুদের সম্মানে একটি দিন উৎসর্গ করার কথা মাথায় রেখে দিবসটি পালনের ঘোষণা দেয়।
একসঙ্গে দিনটিতে সরকারি ছুটি হিসেবেও নির্ধারণ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে। তখন থেকেই দক্ষিণ আমেরিকার দেশগুলোতে বিশেষ করে প্যারাগুয়েতে বিশাল আয়োজনে বন্ধু দিবস পালন করা হয়।
ধীরে ধীরে এই দিবসটি যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন দেশে ছড়িয়ে পড়ে। তবে বন্ধু দিবস ঘোষণার উৎপত্তি বা কারণ ঠিক কী তা সঠিকভাবে বলা মুশকিল। তবে তৎকালীন রাজনৈতিক ও সামাজিক অস্থিরতার অথ্যাৎ প্রথম বিশ্ব যুদ্ধে ভয়াবহতা-হিংস্রতার জন্য বন্ধুর অভাব হয়েছিলো।
ফলে রাষ্ট্রীয়ভাবে বন্ধু দিবস নির্ধারিত করা হয়েছে বলেও অনেকে মনে করেন। অনেকে আবার বলেন, বন্ধু দিবসটি আরও আগে থেকে চলে আসেছে। ধারণা করা হয় ১৯১৯ সালে আগস্টের প্রথম রোববার বন্ধুরা নিজেদের মধ্যে ফুল, কার্ড দিয়ে উপহার বিনিময় করেছিলেন।
সম্প্রতি বন্ধু দিবসের দিন তারিখ অনেক দেশে বদলানো হলেও বাংলাদেশেও বেশ জাকজমকভাবে পালিত হয় দিনটি।






