প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও ব্লাস্ট রোগের আক্রমণে এবার ধানের ফলন কম হওয়ায় সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছে শেরপুর ও নাটোরের কৃষকরা । শেরপুরে ধানে নেক ব্লাস্টের আক্রমণে কৃষকের ক্ষেতে ধানের শিষ শুকিয়ে সাদা ও চিটা হয়ে গেছে।
নাটোরের হালতি বিলে শিলাবৃষ্টিতে ধান ঝরে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফলন পাননি কৃষক। উপরোন্ত ব্লাস্ট রোগের আক্রমণে অনেক কৃষক সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। কৃষক বলছেন, ক্ষেতে ধানের ছড়া পুষ্ট হচ্ছে না। পাতা শুকিয়ে মরে যাচ্ছে।
এক বিঘা জমিতে ধান আবাদে কৃষকের খরচ হয়েছে ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। বিঘায় ফলন পাওয়া গেছে ১২-১৩ মণ। বাজারে প্রতি মণ ধানের দাম ছয়-সাতশ’ টাকা।ফলে মাথায় হাত কৃষকদের।
এ দিকে শেরপুরের পাঁচ উপজেলায় এবার বোরো ধানে নেক ব্লাস্ট দেখা দিয়েছে। কৃষকের শত শত একর জমির ধান জ্বলে ও শুকিয়ে নষ্ট হয়ে গেছে। কৃষক জানান, বি আর ২৮ ও হাইব্রিড ধানেই রোগের প্রকোপ বেশি।
কৃষি বিভাগ জানাচ্ছে, বৈরি আবহাওয়া, জমিতে নাইট্রোজেনের পরিমাণ বেড়ে যাওয়া ও বীজের সমস্যার কারণে ধানে নেক ব্লাস্ট রোগ হতে পারে।
এ অবস্থায় কৃষককে জমি থেকে দ্রুত ধান কেটে ফেলার পরামর্শ দিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।
বিস্তারিত দেখুন নাটোর প্রতিনিধি রেজাউল করিম রেজা ও শেরপুর প্রতিনিধি হাকিম বাবুলের পাঠানো তথ্য ও ভিডিও চিত্র নিয়ে সুদীপ্তা মাহমুদের রিপোর্টে:










