রাজধানীর বনানীতে রেইনট্রি হোটেলে দুই তরুণী ধর্ষণের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলার আসামি নাঈম আশরাফের ডিএনএ টেস্টের জন্য আবেদন করেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।
রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিএমপির ভিকটিম সাপোর্ট সেন্টারের পরিদর্শক ইসমত আরা এমা এ আবেদন করেন।
এছাড়া রোববার পুলিশের আবেদনের প্রেক্ষিতে দুই ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ধর্ষকদের পাঁচটি মোবাইলের ফরেনসিক পরীক্ষার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে একটি ডিভাইস পরীক্ষারও অনুমতি দেয়া হয়েছে।
রোববার ঢাকা মহানগর হাকিম দেলোয়ার হোসেনের আদালত এই আদেশ দেন।
এর আগে আলামত হিসেবে জব্দ করা পাঁচটি মোবাইল ও একটি ডিভাইস পরীক্ষা করার অনুমতি চেয়ে আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে আদালত সিআইডিকে পরীক্ষার জন্য এ আদেশ দেন।
যেসব ডিভাইস সিআইডিতে পাঠানোর জন্য আবেদন করা হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে আসামি সাফাত ও সাদমানের কাছ থেকে জব্দ করা ইংল্যান্ডের তৈরি একটি ভার্চ হ্যান্ড সেট, ওয়ালটন এল-১০ মডেলের মোবাইল একটি, হুয়াওয়ের মোবাইল ফোন একটি, নকিয়া মোবাইলফোন একটি, আইফোন-এস একটি এবং একটি এইচ ডেল্টা ব্র্যান্ডের পাওয়ার ব্যাংক।
গত ১১ মে সাফাত ও তার বন্ধু সাদমান সাকিফকে সিলেট থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। এরপর দিন আদালতে তোলা হলে আদালত সাফাতকে ৬ দিন এবং সাদমান সাকিফকে ৫ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
এছাড়া গত ১৫ মে সাফাতের দেহরক্ষী রহমতকে গুলশান থেকে এবং ড্রাইভার বিল্লালকে নবাবপুর থেকে গ্রেফতার করে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পরে রহমতকে ৩ দিন এবং বিল্লালকে ৪ দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
গত ১৭ মে মুন্সিগঞ্জের লৌহজং থেকে নাঈম আশরাফকে গ্রেফতার করে পুলিশ। এরপর তাকে সাত দিনের রিমান্ডে নেয় পুলিশ।
গত ২৮ মার্চ বনানীতে দ্য রেইনট্রি হোটেলে বন্ধুর মাধ্যমে এক জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে ধর্ষণের শিকার হন বেসরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই ছাত্রী। এরপর অভিযুক্তরা ওই ঘটনার ভিডিও ধারণ করে রাখে।







