দেশের অন্যতম প্রাচীন কুমিল্লার রামমালা পাঠাগারটির বিরল, দুষ্প্রাপ্য, মূল্যবান গ্রন্থ ও দুষ্প্রাপ্য ৮ হাজার পুঁথি বিনষ্ট হওয়ার পথে। শতাব্দী প্রাচীন ওই গ্রন্থাগারের বইগুলো এখন ধূলোবালিতে ধূসর। দুষ্প্রাপ্য- মূল্যবান গ্রন্থগুলো সংরক্ষণের দাবি জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।
জ্ঞান হিতৈষী মহেশচন্দ্র ভট্টাচার্য শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে যে সব প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন তার অন্যতম রামমালা গ্রন্থাগার। বাবার নামে কুমিল্লা ঈশ্বর পাঠশালা হাইস্কুল প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি মা রামমালা দেবীর নামে ১৯২৬ সালে প্রতিষ্ঠা করেন এই গ্রন্থাগার।
এটি বিরল, দুষ্প্রাপ্য, মূল্যবান গ্রন্থ সমৃদ্ধ দেশের অন্যতম পাঠাগার। আলমিরাগুলোতে বইপত্র দৃশ্যত যত্নে থাকলেও ধুলোবালিতে ধূসর। এগুলো জীবন দিয়ে আগলে রয়েছেন আশি-ঊর্ধ্ব বয়সী ইন্দু কুমার সিংহ। এ গ্রন্থাগারে রয়েছে বাংলা সংস্কৃতি, ভারতীয় সংস্কৃতি, প্রত্যেক ধর্মের মূল বই, ২০ থেকে ২৫ হাজার পুঁথি, এর মধ্যে ৬ হাজার সংস্কৃত পুঁথি, ২ হাজার বাংলা পুঁথি রয়েছে।
তালপাতা, বুঝপত্র, গাছের বাকড় ইত্যাদির উপর হাতের লেখা পুঁথি ছাড়াও ১০০ থেকে ১৫০টি পুরনো পত্র-পত্রিকা ও সাময়িকী এই গ্রন্থাগারে রয়েছে বলে জানান গ্রন্থাগারিক ইন্দু কুমার সিংহ।
যেখানে ছুটে এসেছিলেন খোদ রবীন্দ্রনাথ, সেই ঐতিহ্যবাহী গ্রন্থাগারটির প্রতি এই অবহেলায় হতাশ শিক্ষার্থীরা। প্রাচীন রামমালা পাঠাগারটি যথাযথভাবে সংরক্ষণের জন্য ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
বিস্তারিত দেখুন ভিডিও প্রতিবেদনে:








