চ্যানেল আই অনলাইন
Advertisement
English
  • সর্বশেষ
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • রাজনীতি
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অপরাধ
  • অর্থনীতি
  • আদালত
  • ভিডিও
  • জনপদ
  • প্রবাস সংবাদ
  • চ্যানেল আই টিভি
No Result
View All Result
চ্যানেল আই অনলাইন
En

নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পরিচিত নাম

চ্যানেল আই অনলাইনচ্যানেল আই অনলাইন
৬:০৪ অপরাহ্ণ ০৪, আগস্ট ২০২১
সাক্ষাতকার
A A

রাজু আলীম ও কান্তা কানিজ: আজিম উদ্দিন আহমেদ বিশিষ্ট শিল্পপতি, শিক্ষার প্রখ্যাত পৃষ্ঠপোষক, বিশিষ্ট সমাজসেবক এবং নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি (এনএসইউ) অন্যতম প্রবর্তক ও প্রতিষ্ঠাতা এবং ট্রাস্টি বোর্ডের পুন:নির্বাচিত চেয়ারম্যান। এর আগেও তিনি তিনবার এনএসইউ-এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি মিউচুয়াল গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান। তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় বেসরকারী ব্যাংক সাউথইস্ট ব্যাংক লিমিটেডের স্পন্সর ডিরেক্টর এবং প্রাক্তন চেয়ারম্যান। তিনি একজন সফল ব্যবসায়ী যিনি দেশের ৯টি কোম্পানির শীর্ষস্থানীয় পদে ছিলেন। ছাত্র অবস্থায় খুব অল্প বয়সেই ১৯৬২ সালে তিনি ট্রেডিং ব্যবসা শুরু করেছিলেন। তিনি মুক্তিযুদ্ধ-পূর্ব বাংলাদেশে বিশিষ্ট ব্যবসায়ী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত ছিলেন, স্বাধীনতার পরে ব্যবসায়ী হিসেবে তিনি আরও সমৃদ্ধ হন।

আজিম আহমেদ একজন ভ্রমণ উৎসাহী হিসাবে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন দেশ পরিদর্শন করেছেন। ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের একজন সম্মানিত নেতা হিসাবে, তিনি বারবার মেয়াদে বিভিন্ন বাণিজ্য সংস্থার নির্বাহী কমিটির দায়িত্ব পালন করেছেন, যেমন ফেডারেশন অফ বাংলাদেশ চেম্বার অফ কমার্স (এফবিসিসিআই), ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই), বাংলাদেশ ইনডেন্টিং সমিতি, বাংলাদেশ ব্যাংকার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিএবি)। তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ গ্রাহক পণ্য প্রস্তুতকারক ও বিপণন সমিতির সভাপতি।

তিনি ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার একটি অভিজাত মুসলিম পরিবারে ১৯৪০ সালের ৩০ জুন জন্মগ্রহণ করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক করা আজিম আহমেদ বিভিন্ন সামাজিক ও জনহিতকর কর্মকাণ্ডের সাথেও জড়িত। অত্যন্ত সামাজিক ও বিনীত ব্যক্তি হিসাবে পরিচিত খ্যাতিমান এই শিল্পপতি টানা বিভিন্ন মেয়াদে গুলশান ক্লাব, বারিধারা সোসাইটি এবং রোটারি ক্লাব নামে বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের সভাপতি ছিলেন। তিনি স্বেচ্ছাসেবক ভিত্তিতে অনেক স্কুল এবং মাদ্রাসার সাথে যুক্ত আছেন ।

‘আমরা ছোট্ট পরিসরে শুরু করেছিলাম আর নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এখন আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলে এখন পরিচিত একটি নাম।’
আজিম উদ্দিন আহমেদ, প্রতিষ্ঠাতা, ট্রাস্টি ও বর্তমান চেয়ারম্যান, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি

বাংলাদেশের প্রথম প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বর্তমানে খুবই বিখ্যাত। এটি এখন শুধু দেশেই নয়, দেশের বাইরেও সবাই এক নামে এই ইউনিভার্সিটিকে চেনে। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির প্রতিষ্ঠাতা ও এর ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হিসেবে করোনাকালীন সময়ে এই ইউভার্সিটির বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে আজিম উদ্দিন আহামেদ বলেন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের প্রথম পথিকৃৎ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি। আমরা যখন এই ইউভার্সিটিটি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করি, তখন সরকারের কাছেও এই সম্বন্ধে কোন ধারণা ছিল না। আমরা সেই ধারণাটা এনে সুন্দরভাবে অবকাঠামো তৈরী করেছি এবং আমরা সরকারকে বোঝাতে পেরেছি যে, আজকের বাংলাদেশে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটির প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। আজকে বাংলাদেশের জনগণ প্রাইভেট ইউনিভার্সিটিকে কিভাবে গ্রহণ করেছে- সেটা সরকার ভালোভাবে উপলব্ধি করেছে। আর সেটা উপলব্ধি করেই সরকার বাংলাদেশে প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি এ্যাক্ট করে ১৯৯১ এ। আর তখনই আমরা প্রথম এই দেশে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা করি।

তিনি বলেন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রতিষ্ঠা লগ্নে আমরা এই দেশের কতিপয় সমাজসেবী এবং প্রতিষ্ঠিত উদ্যোক্তা আমাদের ব্যক্তিগত অর্থায়নের মাধ্যমে এর ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করি। আমরা সেদিন আশা করিনি যে, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি এক দিন এই স্থানে আসবে। আমরা অল্প সংখ্যক ছাত্র নিয়ে বনানীতে একটা ভাড়া জায়গার উপরে এনএসইউ প্রতিষ্ঠা করেছিলাম এবং তখনকার রাষ্ট্রপ্রধান আমাদের এটা উদ্বোধন করেছিলেন। তারপরে আমরা হাঁটি হাঁটি পা পা করে বিভিন্ন স্তরে শিক্ষার বিকাশ ঘটানোর জন্য শ্রেণী শাখা আমরা বাড়িয়ে নেই। প্রথমে আমাদের এখানে ছিল শুধু বিবিএ ফ্যাকাল্টি, তারপর আমরা আস্তে আস্তে অন্যান্য সব ফ্যাকাল্টি নিয়ে আসি।

আমরা লাইফ সায়েন্স, ফার্মাসী, নরমাল বিবিএ ছাড়াও ল’ ও অন্যান্য ফ্যাকাল্টি খোলার জন্য ইউজিসির কাছে অনুরোধ করেছি। ওগুলোর অনুমোদন পেলে এসব ফ্যাকাল্টি আমরা চালু করবো। যেখানে সামান্য কয়েকজন ছাত্র নিয়ে আমরা বনানীতে শুরু করেছিলাম, সেখানে আজকে বিশ্বজোড়া নাম করা একটা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস হিসেবে আমরা বর্তমানে পরিচিত হয়েছি। এটা এত সুন্দর ও আধুনিক একটা ক্যাম্পাস করা হয়েছে, যেখানে ফ্যাকাল্তি এরিয়া ও আমাদের এডমিনিস্ট্রিটিভ বিল্ডিং আলাদা। এটা আমাদের নিজস্ব ভবন ও এটা প্রায় ১২ লক্ষ্য স্কয়ার ফুট ফ্যাকাল্তি এরিয়া আছে-যেটা সেন্ট্রালি এয়ার কন্ডিশনড। আমাদের লাইব্রেরী বিল্ডিং আছে আলাদা। আমাদের এডমিনিস্ট্রিটিভ বিল্ডিং আলাদা। আমাদের অডিটোরিয়াম আলাদা। আমরা সব ফ্যাসিলিটিজগুলো এখানে দিতে পেরেছি। আর সেজন্য আমরা আনন্দিত ও গর্বিত। আজকে আমাদের ছাত্র সংখ্যা প্রায় ২৫০০০। এত সংখ্যক ছাত্র-ছাত্রীকে আমরা এখানে কিভাবে সুন্দরভাবে পরিচালনা করছি বা ওদের শিক্ষার একটা ভালো পরিবেশ সমন্বয় করে রেখেছি-সেটা সত্যি আল্লাহর রহমত ছাড়া সম্ভব না। এবং আমরা বলবো যে, আমাদের উপর আল্লাহর রহমত আছে, আমাদের শিক্ষকদের আন্তরিকতা আছে। আমাদের প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের সহযোগিতা ও আমাদের ছাত্র-ছাত্রীদের যারা অভিভাবক, তাদের একান্ত আন্তরিকতা নিয়ে আমরা এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি। আমাদের পক্ষে সম্ভব ছিল না, করোনাকালীন সময়ে এই সমস্ত শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া। আমার মনে হয়, এরকম সুন্দরভাবে অনলাইনে আমরা যেভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়েছি, আমরা আমাদের প্রতিটি বিভাগের প্রতিটি শ্রেণীতে যেভাবে কার্যক্রম চালিয়েছি, তা আমাদের শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীদের যৌথ প্রচেষ্টার মাধ্যমেই সম্ভব হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে করোনাকালীন এই মহামারীর সময়েও আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছি।

Reneta

করোনাকালীন সময়ে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি প্রথম থেকেই অনলাইনে ক্লাস কনটিনিউ করছে। আমরা জানি, নিয়মিত ক্লাস ছাড়াও আপনারা অনলাইনে কনকোভেশনও করেছেন। খুব সম্প্রতি একটি বিজনেস ফ্যাকাল্টির সাথে করা একটি মতবিনিময় মূলক ওয়েবিনারে দেয়া একটি দিকনির্দেশনার ব্যাপারে তিনি বলেন, তারা শিক্ষক। কিন্তু আমি শিক্ষক নই। তাই আমি তাদের কাছে জানতে চেয়েছি, চেয়ারম্যান হিসেবে তাদের সাথে আমি কিভাবে সম্পৃক্ত হতে পারি। আমাদের বিশ্বিদ্যালয়ের কার্যক্রম পরিচালনায় বা আমাদের উন্নয়ন প্রকল্পে বা আমাদের অগ্রযাত্রায়-আমাদের চিন্তাধারার কোথাও কোন মতভেদ আছে কিনা-সেটা প্রকাশ করার জন্যই আমি এই ওয়েবিনারটা করেছি। আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে, আমাদের শিক্ষক ও ডীন মহোদয় অত্যন্ত সুন্দরভাবে ঐ জিনিসটা উপস্থাপনা করতে পেরেছেন। আর আমার মনে হয় ওনাদের যে উপস্থাপনা-ওনাদের যে কার্যক্রম, ওনাদের যে আজকে যে কার্যক্রম চালাচ্ছহেন ও ওনাদের আগামী দিনের যে পরিকল্পনা তুলে ধরেছেন-তাতে করে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি ট্রাস্ট ওনাদের পরিকল্পনার সাথে সমন্বয় করে ইউনিভার্সিটির উন্নয়ন প্রকল্পে যত কিছু করা দরকার-তা করার আমরা চেস্টা করবো।

একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যাবসায়ী ও মিউচুয়াল গ্রুপ অফ কোম্পানির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি বলেন, মিউচুয়াল গ্রুপের জন্ম ও শুরু চট্টগ্রামের ব্যবসা কেন্দ্র থেকে। আমরা আজকে যারা ঢাকায় প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি, যদি ওদের অতীতটা টেনে দেখা হয়, তাহলে দেখা যাবে যে, এদের অনেকেই চট্টগ্রাম থেকে তাদের ব্যবসা জীবন শুরু করেছেন। আমাদেরও যাত্রা শুরু সেখান থেকেই। প্রথমে সেখানে আমাদের ট্রেডিং ব্যবসা ছিল, তারপরে আমরা প্রতিনিধিত্ব ব্যবসা করেছি। আমরা পৃথিবী বিখ্যাত দুটি ব্র্যান্ডের প্রতিনিধিত্ব করেছি। একটা দুধ ও আরেকটা সুষম খাদ্য হরলিকস। এটা আমার পারিবারিক ব্যবসা অনেক আগে থেকেই করে আসছিলাম। সুতরাং আমি ট্রেড করি নাই কোন সময়। কিন্তু আমি প্রতিনিধিত্ব করেছি ও পরে আমি শিল্প কারখানা করেছি অন্য লাইনে। বিদেশে যাওয়া আসার কারণে আমার একটা স্বপ্ন ছিল যে, আমরা একটা রফতানীমুকখী শিল্প গড়ে তুলবো। ১৯৭৬ সালে যখন সরকার যখন ঘোষণা দিলেন, আমরা রফতানীমুখী পাট শিল্প-বস্ত্র শীল্পকেও উন্মুক্ত করে দিলাম। তখন আমরা ভাবলাম যে, পাট শীল্পের একটা সম্ভাবনা আছে ইউরোপে। ইউরোপে আমার আসা-যাওয়া ছিল। তাই ইউরোপে আমরা একটা ভালো কিছু করতে পারবো ভেবে, এই ধারণার ভিত্তিতে প্রথমেই একটা জুট স্পিনিং মীলস করে-যেটার নাম ছিল মিউচুয়াল জুট স্পিনিং মিলস।

আমরা সেটা শুরু করি ও শুরু করে এমন একটা স্তরে নিয়ে যাই যে, তারপরে এই দেশে অনেকেই আসছে। আর এক জনের কথা আমি বলতে চাই। সেই একজনেরই এখানে শুধু স্পিনিং মীলস ছিল সেই পাকিস্তান আমল থেকে। পরে এটা ন্যাশনালাইজড হয়। তখন আমরা শুধু এটা করি ও এট ভালো করি যে, পর পর ২ বছর আমরা রাষ্ট্রপতির এক্সপোর্ট এওয়ার্ড পাই। তখন আমরা অত্যন্ত আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে, আমরা বৈদিশিক মূদ্রা আয়ে যে ভূমিকা রেখেছি, তার স্বীকৃতিস্বরূপ আমাদের এই পুরস্কার দেয়া হয়। তারপরে আমি যেটা করতাম, সেটা হলো আমি ইমপোর্ট করতাম-দুধ ও হরলিকস। তখন আমি ভাবলাম যে, আমরা ইমপোর্ট কেন করবো। আমরা এখানে নিজেরা হরলিকস তৈরী করার জন্য একটা পরিকল্পনা নিলাম। আমি বারবার লন্ডনে গেলাম- ওদের বুঝালাম, ওরা বলোলো যে, ওরা সাহায্য করবে। তখন আমরা শুরু করলাম।

সেই ২০১৬ সাল থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত এটা ভালো চলছে। পরের বছর ই আমি এখানে ডানোর একটা ফ্যাক্টরী করলাম। আমি এমপ্লয়মেন্টের কথা চিন্তা করেছি। আমার জুট মিলস ছিল, আমার স্টীল মিলস ও ছিল। জুট মিলস ও স্টিল মিলস পরে আমরা বন্ধ করে দিয়েছি। এখন আমরা শুধু ডানো দুধ প্রস্তুত ও হরলিকস প্রক্রিয়াজাত করছি।

সাউথ ইস্ট ব্যাংক প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য ও এই ব্যাংকের বর্তমান অবস্থা নিয়ে তিনি বলেন, আমরা যখন এই ব্যাংক প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করি, তখন বাংলাদেশে খুব কম সংখ্যক প্রাইভেট ব্যাংক ছিল। তখন আমরা কয়েকজন মিলে শিল্পপতি ও ব্যবসায়ী সরকারের কাছে আবেদন করি। নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির আমার আগের যিনি চেয়ারম্যান ছিলেন কাশেম সাহেব- উনি সাউথ ইস্ট ব্যাংকের এই নামটি দেন এবং উনিই আমাদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন। ওনার পরে আমি সেখানে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করি।

কিন্তু ব্যাংকের যে বিকাশ ও যে উন্নতি, তা সম্ভব হয়েছে সবার সমন্বিত প্রচেষ্টায়। আজকে আমরা দ্বিতীয় প্রজন্মের ব্যাংক হিসেবে, আমরা মনে করি, বাংলাদেশের ব্যাংক হিসেবে আমাদের অবস্থান ১ থেকে ৩ এর মধ্যে। সুতরাং এটা আমরা করতে পেরেছি । এ দেশের শিল্পায়নে ও এ দেশের শিল্প খাতে আমরা যথেষ্ট ঋণ দিয়েছি, আমরা কর্মহীণ মানুষের জন্য কর্মসংস্থান করার জন্য ব্যাংক থেকে আমরা অর্থায়ন করেছি কয়েকশ শিল্প প্রতিষ্ঠানে। আজকে সেখানে হাজার হাজার, লাখ লাখ লোক কাজ করছে। এটাই আমাদের পরিতৃপ্তি। মানুষের কাছে আমরা দায়বদ্ধ যে, তাদের দোয়া ও চেষ্টায় এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে আমরা এই পর্যন্ত আসতে পেরেছি। আমরা আমাদের দিক থেকে চেষ্টা করেছি- সমাজের জন্য কিছু করতে, দেশের জন্য কিছু করতে ও আমাদের দেশবাসীর জন্য কিছু করতে।

করোনাকালীন সময়ে যে ভ্যাকসিন এসেছে, সেগুলো নিয়ে আসলে রিসার্চ হয়েছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। সেই জায়গা থেকে দেশের অত্যন্ত স্বনামধন্য বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির এ বিষয়ে অবস্থান ও ভূমিকা কেমন- তা জানতে চাইলে তিনি বলেন, পাবলিক হেলথ ডিপার্টমেন্টগুলোর পাশাপাশি নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিতে রিসার্চ বেইজড যে ডিপার্টমেন্টগুলো আছে, সেগুলো আরও জোরালো করার পরিকল্পনা আছে।

তিনি বলেন, নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি একটি রিসার্চ বেইজড ইউনিভার্সিটি। বিশ্বের সমস্ত বড় ও নাম করা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে আমাদের সমঝোতা চুক্তি আছে। আমেরিকাতে আমাদের একটি এডভাইজরী কাউন্সিল আছে। এটা আমেরিকাতে প্রতিষ্ঠিত ও বারাক ওবামার এ্যাডভাইজর পলওয়েল আমাদের এই এডভাইজরী কমিটির প্রধান ও চেয়ারম্যান। উনার নেতৃত্বে আমেরিকায় যারা বাংলাদেশী বা বিদেশী নাম করা শিক্ষকদের সমন্বয়ে এই কমিটিটি যে করেছি, তারা আমাদের কারিকুলাম ডিজাইন ও উন্নয়নে সহায়তা করে থাকে। বাংলাদেশের এক মাত্র জেনোম ইউনিভার্সটি শুধু আমরাই করতে পেরেছি।

Channel-i-Tv-Live-Motiom

Jui  Banner Campaign
ট্যাগ: নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি
শেয়ারTweetPin

সর্বশেষ

দেশের উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলে ভারী বৃষ্টি ও বজ্রপাতের সম্ভাবনা

মে ১৪, ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্রে জালিয়াতি মামলা থেকে মুক্তি মিলছে ভারতের আদানির

মে ১৪, ২০২৬
ডিপথেরিয়ার বিস্তার শুরু হলে শিশুস্বাস্থ্য ব্যবস্থায় নতুন সংকট তৈরি হতে পারে

হামের পর নতুন আতঙ্ক ডিপথেরিয়া

মে ১৪, ২০২৬

বিশ্বকাপ ফাইনালের বিরতিতে গাইবেন ম্যাডোনা-শাকিরা, থাকবে বিটিএসও

মে ১৪, ২০২৬

পশ্চিমবঙ্গে কোরবানি ঈদের আগে পশু জবাই নিয়ন্ত্রণে কড়াকড়ি

মে ১৪, ২০২৬
iscreenads

প্রকাশক: শাইখ সিরাজ
সম্পাদক: জাহিদ নেওয়াজ খান
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম লিমিটেড , ৪০, শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণী, তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা-১২০৮, বাংলাদেশ
www.channeli.com.bd,
www.channelionline.com 

ফোন: +৮৮০২৮৮৯১১৬১-৬৫
[email protected]
[email protected] (Online)
[email protected] (TV)

  • আর্কাইভ
  • চ্যানেল আই অনলাইন সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সম্পর্কে
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

Welcome Back!

Login to your account below

Forgotten Password?

Retrieve your password

Please enter your username or email address to reset your password.

Log In
Bkash Stickey January 2026 Bkash Stickey September 2025 Desktop

Add New Playlist

No Result
View All Result
  • সর্বশেষ
  • প্রচ্ছদ
  • চ্যানেল আই লাইভ | Channel i Live
  • বাংলাদেশ
  • আন্তর্জাতিক
  • স্বাস্থ্য
  • স্পোর্টস
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • কর্পোরেট নিউজ
  • আইস্ক্রিন
  • অপরাধ
  • আদালত
  • মাল্টিমিডিয়া
  • মতামত
  • আনন্দ আলো
  • জনপদ
  • আদালত
  • কৃষি
  • তথ্যপ্রযুক্তি
  • নারী
  • পরিবেশ
  • প্রবাস সংবাদ
  • শিক্ষা
  • শিল্প সাহিত্য
  • চ্যানেল আই সকল সোস্যাল মিডিয়া

© 2023 চ্যানেল আই - Customize news & magazine theme by Channel i IT