পরীক্ষা চালানো সর্বশেষ ব্যালিস্টিক মিসাইলটি নতুন ধরণের একটি রকেট ক্ষেপণাস্ত্র ছিল বলে দাবি করেছে নর্থ কোরিয়া। বলেছে, এ ধরণের রকেটের বড় আকারের নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড (ক্ষেপণাস্ত্রের সামনের বিস্ফোরক অংশ) বহনের ক্ষমতা রয়েছে।
রোববার পরীক্ষা চালানো ক্ষেপনাস্ত্রটি বেশ খাড়া কোণে উৎক্ষেপণ করার পর সেটি দু’হাজার কিলোমিটার উচুঁতে ওঠে এবং ৭শ’ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে।
নর্থ কোরিয়া সোমবার এক ঘোষণার মাধ্যমে জানায়, এটি একটি নতুন তৈরি উন্নতমানের ব্যলিস্টিক ক্ষেপনাস্ত্রের পরীক্ষা ছিল। দেশটির রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ জানায়, হুয়াসং-১২ নামের নতুন ধরণের মাঝারি থেকে দূরপাল্লার স্ট্র্যাটেজিক ব্যালিস্টিক রকেটের পরীক্ষা চালানো হয়েছে।
‘পরীক্ষাটির উদ্দেশ্য ছিল বড় আকারের ভারী নিউক্লিয়ার ওয়ারহেড বহনে সক্ষম নতুন ব্যালিস্টিক রকেটটির কৌশলগত এবং প্রাযুক্তিক বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য যাচাই করা,’ বিবৃতিতে জানায় কেসিএনএ।
এ ঘটনার প্রেক্ষিতে মঙ্গলবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে জরুরি বৈঠক ডেকেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং জাপান।
চলমান আন্তর্জাতিকভাবে নিষেধাজ্ঞার মাঝেও চলতি বছরে বেশ কয়েকটি পারমাণবিক অস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে নর্থ কোরিয়া। তবে সব পরীক্ষা সফল হয়নি।







