ধরলা নদীতে অনিয়ন্ত্রিত পাথর উত্তোলনের কারণে হুমকির মুখে পড়েছে লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার তেলিপাড়ায় নবনির্মিত গুচ্ছগ্রাম।
অবহেলিত ও বাস্তুহারা মানুষদের ঠাঁই করে দিতে সরকারের ‘গুচ্ছগ্রাম’ প্রকল্প এক সময় হাজারো মানুষের মধ্যে স্বপ্নের সঞ্চার করলেও তেলিপাড়া গুচ্ছগ্রাম প্রকল্পটি এখন হুমকির মুখে। তবে এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের কোনো ভ্রুক্ষেপই নেই।
এরই মধ্যে ধরলা নদীর ভাঙনে ওই গুচ্ছগ্রামের তিনটি ভবন ঝুঁকির মুখে রয়েছে। এসব ভবনের কিছু অংশ থেকে মাটি ভেঙে চলে গেছে নদীর গর্ভে। অগ্রিম সতর্কতার অংশ হিসেবে ভবনগুলো থেকে চালা থেকে খুলে নেওয়া হয়েছে টিন।
স্থানীয়রা বলছেন, ‘আর কিছু না হোক আপাতত বাঁশ ব্যবহার করে বাঁধের ব্যবস্থা করা গেলেও ভবনগুলোকে ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করা যেতো।’
তবে গ্রামবাসীর অভিযোগ নদী ভাঙনের হাত থেকে ভবনগুলো রক্ষায় স্থানীয় প্রশাসন থেকে শুরু করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সঙ্গে বারবার যোগাযোগ করা হলেও কোনো সমাধান মেলেনি।
এ প্রসঙ্গে ওই এলাকার বাসিন্দা মিজানুর রহমান প্রধান চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন,‘ধরলা নদী থেকে অনিয়ন্ত্রিতভাবে পাথর উত্তোলনের কারণে ইদানিং নদী ভাঙ্গনের পরিমাণ আশংকাজনক ভাবে বেড়ে গেছে। পাটগ্রামের যে জায়গাটিতে ভাঙনের সৃষ্টি হয়েছে; সেখান থেকেই কিছুদিন আগে পাথর উত্তোলন করা হয়। আমরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে মৌখিক ভাবে জানালেও এর কোনো প্রতিকার পাইনি।’
সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে নির্মিত গুচ্ছগ্রামের বাড়ি গুলো এ বছরই বাস্তুহারাদের জন্য বরাদ্দ দেয়া হয়।







