চলতি বছরে নয়মাস পেরিয়ে যাচ্ছে। মুক্তি পেয়েছে মাত্র ২৯ টি ছবি। দেশের সিনেমা হলের তুলনায় এ সংখ্যা একেবারেই অপর্যাপ্ত। গেল ঈদুল আযহার পর মুক্তি পেয়েছে মাত্র একটি বাংলা সিনেমা। সেটিও মানহীন হওয়ায় মুখ থুবড়ে পড়েছে।
হল টিকিয়ে রাখতে বাধ্য হয়েই চাইনিজ ও ইংলিশ সিনেমা প্রদর্শন করছেন দেশের ঐতিহ্যবাহী মধুমিতা সিনেমা হল। চলতি সপ্তাহে মধুমিতায় প্রদর্শিত হচ্ছে চাইনিজ সিনেমা ‘কুংফু কিলার’ এবং ইংলিশ সিনেমা ‘কলম্বিয়ানা’।
চ্যানেল আই অনলাইনের সাথে এই ছবির প্রদর্শন নিয়ে কথা বলেছেন মধুমিতা সিনেমা হলের কর্ণধার ইফতেখার উদ্দিন নওশাদ। তিনি বলেন, দেশের নতুন কোনো ছবি মুক্তি পাচ্ছে না। কলকাতার আমদানি করা ছবিগুলো আটকানো হচ্ছে। আমাদের হল ব্যবসা মারা যাওয়ার মতো অবস্থা। হল টিকিয়ে রাখতে এ ছাড়া কোনো উপায় নেই। তাই এক টিকিটে দুই ছবি চালানোর সিদ্ধান্ত।

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সভাপতি নওশাদ বলেন, শুক্রবার আশুরা ছিল বিধায় ওইদিন হল বন্ধ রেখেছিলাম। শনিবার থেকে বাকি ছয়দিন চালানোর মতো নতুন ছবি নেই। এ সপ্তাহে ‘সুপার হিরো’ প্রদর্শন করতে চেয়েছিলাম, তাও পাইনি। বাকি যে ছবিগুলো আছে, সবগুলোই মধুমিতায় প্রদর্শিত হয়ে গেছে।
বাধ্য হয়ে তাই আমদানি করা ছবিগুলো চালাচ্ছেন জানিয়ে নওশাদ বলেন, দেশের ছবি নেই, দিন দিন কোমায় চলে যাচ্ছি। হল বাঁচাতে আমদানি করা এসব ছবি চালানো ছাড়া উপায় নেই। নিজেরা দেশের ছবি পাচ্ছিনা বিধায় বাধ্য হয়েই আমদানি করে ছবি চালাচ্ছি।
আমদানি করা ছবি কেমন চলছে?-এমন প্রশ্নে নওশাদ বলেন, শনিবার প্রথমদিনে ‘কুংফু কিলার’ ছবির দর্শক ছিল না। খুব খারাপ গেছে।
তিনি বলেন, টানা বাংলা ছবি চালাই বলে ইংলিশ, চাইনিজ ছবির দর্শক আসে না। নিয়মিত চললে হয়তো দর্শক আসতো। কথা প্রসঙ্গে নওশাদ বলেন, আগামী সপ্তাহে মুক্তি পেতে পারে কলকাতার ‘নাকাব’। মধুমিতায় ছবিটি চলবে।







