দারোগাকে ‘খরচপাতি’ না দেয়ায় হজে যেতে ইচ্ছুক ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ার জীবিত আজাদ হোসেন ভূইয়াকে ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে মৃত হিসেবে দেখানোয় তার বিরুদ্ধে রিট আবেদন করেছেন ওই ব্যক্তি।
২০১৭ সালে হজে যেতে আবেদন করেন আজাদ। এবং সেই অনুযায়ী টাকাও জমা দেন কয়েক মাস আগে। কিন্তু ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে তাকে মৃত দেখানো হয়।
সোমবার নিজেকে জীবিত দাবী করে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেন আজাদ। বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি আতাউর রহমান খানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ রুলসহ এবিষয়ে আদেশ দেন।
আজাদ হোসেন ভূইয়াকে পুলিশ প্রতিবেদনে মৃত দেখানোয় আখাউড়া থানার ওসিকে তলব করেন হাই কোর্ট। আগামী ২৩ জুলাই তাকে স্বশরীরে হাজির হয়ে এ ঘটনার ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেয়া হয়।
হাইকোর্টের আদেশের পর আজাদ হোসেন ভূইয়া চ্যানেল আই অনলাইনকে বলেন, ‘আমি এবছর হজ্বে যাবার জন্য আবেদন করি ৪ -৫ মাস আগে। টাকাও জমা দিয়েছি। আমার নিবন্ধনও হয়। এরপর পুলিশ ভেরিফিকেশনের আখাউড়া থানা থেকে দারোগা আবুল কালাম আমাকে ফোন দেয়। আমি তখন ঢাকায়। তখন আমাকে বলে আজকে দিনের মধ্যে থানায় এসে যোগাযোগ করতে। তখন আমি বলি আমার পক্ষে আজ আসা সম্ভব না।
“এরপর দারোগা বলেন, আপনার জাতীয় পরিচয়পত্র এবং পাসপোর্টের ফটোকপিসহ আপনার ভাইকে পাঠান। আমার ভাই থানায় গেলে জানানো হয় আমার নামে মামলা আছে। আমাকেই যেতে হবে। পরদিন আমি থানায় যাই। যেয়ে দারোগার সাথে দেখা করি। দারোগা তখন আমাকে বলে আপনার নামে তো মামলা আছে। ভেরিফিকেশন পেতে খরচাপাতি করতে হবে। আমি বল্ললাম, আমার নামে যে দুইটা মামলা আছে, তা রাজনৈতিক। আর আমি প্রথম থেকে জামিনে আছি। আমি কোন খরচাপাতি দিবো না ।”
আজাদ বলেন, এমন ঘটনার পর ধর্ম মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে গত ২০ জুলাই সর্বশেষ আপডেটে দেখি আমাকে মৃত দেখানো হয়েছে।







