বল হাতে মিরাজের সাত উইকেটের পর ব্যাট হাতে এনামুল হক বিজয় আর মেহেদী হাসানের অপরাজিত দেড়শ পেরুনো ইনিংসে রানের পাহাড় গড়েছে খুলনা। শুক্রবার ঢাকার বিপক্ষে জয় কিংবা ড্র পেলেই হ্যাটট্রিক শিরোপা জিতবে দলটি।
বিজয় ১৬৭ ও মেহেদী ১৬৮ রানে অপরাজিত থেকে দিন শেষ করেছেন। তাতে খুলনার সংগ্রহ এক উইকেটে ৩৭০ রান। প্রথম ইনিংসে তাদের লিড ২৫৭। ম্যাচটি ড্র করতে পারলেই ১৯তম জাতীয় ক্রিকেট লিগের চ্যাম্পিয়ন হবে খুলনা। ড্রয়ের পথে না হেঁটে চারদিনের ম্যাচের দ্বিতীয় দিন শেষে জয়ের মঞ্চ সাজিয়ে ফেলেছে আব্দুর রাজ্জাকের দল।
আগের দিন আলোক স্বল্পতায় খেলা বন্ধ হওয়ার আগে ৪.৫ ওভার ব্যাট করে কোনো উইকেট না হারিয়ে ২৩ রান তুলেছিল খুলনা। সৌম্য সরকার ১১ ও এনামুল হক বিজয় ১২ রান নিয়ে দ্বিতীয় দিন শুরু করেন। দলীয় ৫০ রানে মোহাম্মদ শরিফের বলে জাহিদুজ্জামানের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন সৌম্য। আউট হওয়ার আগে এ বাঁহাতি ৫টি চারের সাহায্যে নামের পাশে লেখান ৩০ রান।

সৌম্যর বিদায়ে মেহেদী এসে জুটি গড়েন বিজয়ের সঙ্গে। দ্বিতীয় উইকেট জুটিতে তারা যোগ করেন ৩২০ রান। বিজয়ের ২০৬ বলের ইনিংসটি ১৮টি চার ও ৪টি ছক্কায় সাজানো। মেহেদীর ইনিংসে ২০টি চার ও দুটি ছক্কা। বিজয়ের চেয়ে মারকুটে ছিলেন মেহেদী। মোকাবেলা করেছেন মাত্র ১৫১টি বল।
চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে প্রথম স্তরের অপর ম্যাচে বরিশাল বিভাগের করা ৩৩৫ রানের জবাবে ৪ উইকেট হারিয়ে ২৪৭ রান তুলেছে রংপুর বিভাগ। নাসির হোসেন ৯৩ ও আরিফুল হক ২৫ রানে অপরাজিত থেকে দ্বিতীয় দিন শেষ করেছেন।
নাঈম ইসলাম করেন ৫৪ রান। এছাড়া লিটন দাসের ব্যাট থেকে আসে ৪৩ রান।
মনির হোসেন নেন তিনটি উইকেট। একটি উইকেট নেন সালমান হোসেন।
আগের দিনের ৬ উইকেটে ২৮০ রান নিয়ে ব্যাটিংয়ে নামে বরিশাল। শেষ ৪ উইকেট পতনের আগে তাদের ইনিংসে যোগ হয় ৫৫ রান।
বরিশালের ইনিংসে বড় অবদান রাখেন সোহাগ গাজী। মাত্র ১ রানের জন্য সেঞ্চুরি বঞ্চিত হলেও তার ৯৯ রানের ইনিংসেই মাঝারিমানের সংগ্রহ পায় তারা।
শুভাশিস রায়, আরিফুল হক ও তানবীর হায়দার নিয়েছেন তিনটি করে উইকেট। একটি উইকেট নিয়েছেন সাজেদুল ইসলাম।








