এশিয়া কাপ ফাইনালের টিকিট নিয়ে তুলকালাম চলছে। বিকেলে মাত্র দেড় ঘণ্টার মধ্যে সব টিকিট শেষ হয়ে যাওয়ায় ক্ষুব্ধ ভক্তদের সঙ্গে পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। সাংবাদিক, পুলিশসহ আহত হয়েছেন শতাধিক মানুষ।
বাংলাদেশ-ভারত ফাইনালের টিকিট ছিলো ‘সোনার হরিণ’। রাতভর অপেক্ষার পর সকালে টিকিট বিক্রি শুরু হওয়ার আগে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে টিকিট কিনতে আসা তরুণরা। সংঘর্ষের কারণ কোনো অপেক্ষা ছাড়াই কিছু যুবকের অনুপ্রবেশ।
টিকিটের জন্য মিরপুরে স্টেডিয়ামের কাছে ব্যাংকের সামনে জড়ো হওয়া অনেকে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়লে টিয়ার গ্যাস ছুঁড়েও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ব্যর্থ হয় আইন শৃঙ্খলা বাহিনী।সেসময় ভাংচুর হয় বেশ কিছু যানবাহন। পুলিশের লাঠিচার্জ এড়াতে টিকেট প্রত্যাশীরা আশ্রয় নেয় আশপাশের বাড়িতে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার মধ্যে পড়ে কয়েকজন সাংবাদিকও আহত হন।
তবে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর দাবী, বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির কারণেই অ্যাকশনে গিয়েছিলেন তারা।
মিরপুর থানার দায়িত্বরত পুলিশ কর্মকর্তা মাহবুব হাসান বলেন, বিনা উস্কানিতে পুলিশের গায়ে ইট পাক্কেল নিক্ষেপ করেছে, পুলিশ আহত হয়েছে, আমরা উশৃঙ্খল জনতাকে ছত্রভঙ্গ করার জন্য টিয়ার গ্যাস নিক্ষেপ করেছি।
এরকম পরিস্থিতিতে টিকিট বিক্রি আর শুরু হয়নি। বিকেলের দিকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসলে শুরু হয় টিকিট বিক্রি। তবে দেড় ঘণ্টার মধ্যে টিকিট শেষ হয়ে গেলে আবারো ক্ষুব্ধ হয়ে উঠে টিকিট প্রত্যাশীরা। আবারও তারা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর সঙ্গে।
টিকিট প্রত্যাশীরা জানান, এখানে কোন টিকিট নেই, টিকিট দেওয়া হবে না। পুলিশ টিকিটের ব্যাপারে কথা না বলে উল্টো আমাদের লাঠিপেটা করছে।
এ ব্যাপারে কোনো কথা বলেনি বিসিবি। বিশ্বকাপের মতো এশিয়া কাপে কেনো অনলাইনে টিকিট বিক্রি হলো না, সে বিষয়েও কোনো ব্যাখ্যা দেয়নি কোন কর্মকর্তা।






