বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সরকারিভাবে পালিত হলো ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস। দিনের কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে সড়ক পরিবহনমন্ত্রী ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের জানিয়েছেন, নিরাপদ যোগাযোগ ব্যবস্থার জন্য নতুন করে সড়ক পরিবহন আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। নতুন আইন প্রয়োগে কড়াকড়ি থাকবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস উপলক্ষে আজ বৃহস্পতিবার সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত র্যালির আগে এক আলোচনা সভায় মন্ত্রী প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেন, সড়ক পরিবহন আইনে একই পরিবারের একাধিক গাড়ি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা হবে।
তিনি বলেন, ‘শিগগিরই মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে ‘সড়ক পরিবহন আইন’ উত্থাপন করা হবে। মন্ত্রিপরিষদ আইনটি অনুমোদন করলে তা সংসদে বিল আকারে উপস্থাপন করা হবে। এই আইনে পরিবার প্রতি ব্যক্তিগত গাড়ি ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণের বিধান রাখা হবে। অর্থাৎ এক পরিবারের একাধিক গাড়ি ব্যবহারে সীমাবদ্ধতা আরোপ করা হবে।’
ব্যক্তিগত গাড়ির ব্যবহার কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের মধ্য দিয়ে পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটানোর লক্ষ্যে বিশ্বের অন্যান্য দেশে সত্তরের দশক থেকে পালিত হচ্ছে ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস। প্রতিবছর ২২ সেপ্টেম্বর প্রায় ৪ হাজার শহরে পালিত হয় এই দিবস।
বাংলাদেশে ২০০৬ সাল থেকে দিবসটি পালন শুরু হয়, তবে সেটা বেসরকারি উদ্যোগে। এবারই প্রথম সরকারিভাবে বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবস পালন।
ঢাকা সড়ক পরিবহন সমন্বয় কর্তৃপক্ষ (ডিটিসিএ), সড়ক ও জনপদ বিভাগসহ সরকারি আটটি সংস্থা মিলিয়ে মোট ৪৪টি প্রতিষ্ঠান এ র্যালির আয়োজন করে।
বিশ্ব ব্যক্তিগত গাড়িমুক্ত দিবসে মানিক মিয়া এভিনিউকে পরীক্ষামূলক ব্যক্তিগত যানমুক্ত রাখা হয়। তবে আগে থেকে প্রচার না থাকায় রাস্তায় ব্যক্তিগত গাড়ি খুব কম ছিলো না।
ডিটিসিএ’র ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ জাকির হোসেন মজুমদারের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আনিসুল হক।







