ভোরের সূর্যোদয়ের সাথে সাথে হাজারো কণ্ঠে নতুন বাংলা বছর ১৪২৩ সালকে বরণ করে নিলো সুরের ধারা-চ্যানেল আইসহ কোটি বাঙালি। নতুন বছর কল্যাণ বয়ে আনুক, ফল ফসলে এগিয়ে যাক দেশ এমন প্রত্যাশা সবার।পঞ্চমবারের মতো হাজারো কণ্ঠে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ছিলেন সানসিল্ক।
সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাঁশি আর সেতারের ধুনের স্নিগ্ধতা ছড়িয়ে আলিঙ্গন দিয়ে বরণ করা হয় নতুন বছরকে। হাজারো কণ্ঠে কোটি বাঙালি প্রবেশ করলো নতুন আরেক ভোরে, নতুন বছরে। বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র প্রাঙ্গণে বাঙালির প্রাণের বৈশাখকে বর্ণিল রঙে বরণ করলো চ্যানেল আই ও সুরের ধারা।
ইমপ্রেস টেলিফিল্ম চ্যানেল আইয়ের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফরিদুর রেজা সাগর দেশ ও দেশের বাইরে সমস্ত বাঙালিকে শুভ নববর্ষের শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেন, এবছরে জীবন খুব সুন্দর হোক, বাংলাদেশকে এগিয়ে নিতে আমরা সবসময় অনেক কথাই ভাবি। শুধু ভাবনা নয়, এবছর সেই চেষ্টা করবো এবছর যেনো এ দেশ অনেক দূর এগিয়ে যায়।
চ্যানেল আইয়ের পরিচালক ও বার্তা প্রধান শাইখ সিরাজ বলেন, এখন দেশে বোরো মৌসুমের ধানকাটার উৎসব চলছে। সেই হিসেবেই টিকে আছে আমাদের পহেলা বৈশাখ এবং ফসলের আনন্দ। সারা পৃথিবীতে যখন মানবতার বিপর্যয় ঘটেছে, ঠিক তখনি সেসব জরাজীর্ন ধুয়ে মুছে মানবতার কল্যান হোক। নতুন বছরটি সবার কল্যান বয়ে আনুক এবং আরো সমৃদ্ধ হোক এ কামনা করছি।
বছরের প্রথম প্রহরে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়ে কিংবদন্তি সঙ্গীতশিল্পী ও সুরের ধারা অধ্যক্ষ রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা বলেন, বাংলা ভাষা-ভাষী মানুষ যেনো হাতে হাত ধরে এক সুন্দর ও শান্তি পৃথিবী গড়তে পারে। এই নতুন বছরে সকল কুলষতা থেকে মুক্ত হয়ে পরিপূর্ণ মানুষ হয়ে ওঠার সাধনা আমাদের যেনো সার্থক হয়।
বর্ণিল বর্ষবরণের পুরো আয়োজনটির পৃষ্ঠপোষক ছিলেন ইউনিলিভার। বর্ষবরণের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে ইউনিলিভারের ব্র্যান্ড বিল্ডিং ডাইরেক্টর জাভেদ আখতার বলেন, এই প্রথম শুধু আমাদের একটি নিজস্ব অনুষ্ঠান সরাসরি বিদেশী চ্যানেলে সম্প্রচার হয়েছে। আমাদের দেশের একটি অসাধারণ দিন। আর এদিনেই আমাদের সংস্কৃতি আজকে সারা পৃথিবীতে ছড়িতে দিতে পারেছি।
ঢাক-ঢোলের দোলায় রঙিন হয়ে ওঠে বৈশাখ বরণ। দেশবরেণ্য শিল্পীরা মাতিয়ে তোলেন অগণিত দর্শকদের। ছিলো দেশীয় পোশাকে সানসিল্ক বৈশাখী ফ্যাশন প্রদর্শনী। বর্ষবরণে শেষের দিকে এলআরবির মনোমুগ্ধকর কনসার্টে মাতোয়ারা হয়েছেন অগণিত দর্শক।
বর্ষবরণে সাংস্কৃতিক আয়োজনের পাশাপাশি প্রাঙ্গণজুড়ে ছিলো বাঙালির ঐতিহ্যবাহী দেশজ মেলা। দেশ বিদেশের অগণিত বাঙালির জন্যে বর্ষবরণের পুরো আয়োজনের সরাসরি সম্প্রচারে ছিলো চ্যানেল আই এবং কলকাতার জি বাংলার পর্দায়।








