দেশের কয়েকটি জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। গাইবান্ধায় বন্যার পর নদী ভাঙ্গনে দুর্ভোগে পড়েছে মানুষ। নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসহ বিস্তীর্ণ এলাকা।
কুড়িগ্রামে নদ-নদীর পানি বাড়তে থাকায় নতুন করে বন্যা দেখা দিয়েছে। প্লাবিত হয়েছে নদী তীরবর্তী এলাকার কয়েকশ’ গ্রাম, চর ও দ্বীপচর। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ।
শরীয়তপুরে সুরেশ্বর পয়েন্টে পদ্মার পানি বিপদসীমার ২৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। তলিয়ে গেছে নদী তীরবর্তী নিন্মাঞ্চলের ফসলী জমি। পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন নড়িয়া ও জাজিরা উপজেলার পাঁচ হাজারেরও বেশী মানুষ। বন্যার পানি ঢুকে পড়েছে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে।
সিরাজগঞ্জ যমুনার পানি আবারো বাড়ছে। নতুন করে প্লাবিত হয়েছে কাজিপুর উপজেলার ৯ টি ইউনিয়নের নিন্মাঞ্চল ও চরাঞ্চল। এখনো ঘরে ফিরতে পারেনি এসব এলাকার বানভাসি মানুষ।
বন্যার পানি কমায় প্রবল স্রোতে গাইবান্ধার তিস্তা, ব্রহ্মপুত্র ও করতোয়া নদীর উভয় তীরে ভয়াবহ ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে ভাঙ্গন ব্যাপক আকার ধারণ করায় প্রায় ২০ টি ইউনিয়নের বহু এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
হরিপুর ইউনিয়নের হাজিরহাট সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সাঘাটার হলদিয়াই গোবিন্দপুর প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙ্গন আতঙ্কে রয়েছে ছয়ঘরিয়া মধ্যমিক বিদ্যালয়, ,হাইস্কুল,মাদ্রাসা ও ফুলছড়ি কলেজ. মাদ্রাসাসহ ২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
আশপাশে আরো ২শ’ গ্রাম নদী ভাঙ্গনের ঝুঁকিতে রয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা এলাকা পরিদর্শন করলেও ভাঙ্গন রোধে এখনও কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি।






