জাতীয় দলের জন্য কোচ লাগবে। খোঁজ করো বিদেশে। বিসিবিতে এই ধারা পুরাতন। আমাদের দেশেও অনেক কোচ আছেন, যারা ‘একটু অন্যরকম পরিবেশ’ পেলেই বিদেশে কাজ করার যোগ্যতা রাখেন। শুক্রবার মিরপুরে তামিমের সংবাদ সম্মেলনেও বিষয়টি উঠে আসে। তামিম বলেন, দেশি কোচরা এখন জাতীয় দলের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছে। এই পরিবেশ বজায় থাকলে একদিন তারা বিদেশে কাজ করতে পারবেন। ৫ বছর পর হোক, ১০ বছর পর হোক তারা অন্য দেশের কোচ হতে পারবেন।’
বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের বিদেশি কোচদের সঙ্গে কাজ করছেন স্থানীয় দুই কোচ সোহেল ইসলাম ও মিজানুর রহমান বাবুল। বিসিবির গেম ডেভেলপম্যান্ট বিভাগের অধীনে থাকা এই দুই অভিজ্ঞ কোচ জুলাইয়ে শুরু হওয়া স্কিল ক্যাম্প থেকেই দলের সঙ্গে। এর আগেও জাতীয় দলের কোচদের সহায়ক হিসেবে টুকটাক কাজ করেছেন। এবার করছেন লম্বা সময় ধরে। বিদেশি কোচদের সঙ্গে থেকে তারাও শিখছেন। কোচিং নিয়ে নানা কথা শেয়ার হচ্ছে।
‘আমার মনে হয় এটাই সঠিক পথ, আমাদের স্থানীয় কোচদের প্রমোট করার সময় এসেছে।’ বলেন তামিম।

বাংলাদেশ দলে সব বিভাগেই এখন বিদেশি কোচ। হেড কোচ চণ্ডিকা হাথুরুসিংহে তো আছেনই। ব্যাটসম্যানদের জন্য যেমন আলাদা কোচ তেমনি স্পিন বোলিং, পেস বোলিং, ফিল্ডিংয়েও তাই। ফিজিও, ট্রেনার, কম্পিউটার বিশ্লেষক সবাই বিদেশি। এত বিদেশির ভিড়ে স্থানীয় কোচরা দলকে কীভাবে সাহায্য করছেন?
চ্যানেল আই অনলাইনকে মিজানুর রহমান বাবুল বলেন, ‘আমরা লোকাল কোচরা যেমন উপকৃত হই প্লেয়াররাও উপকৃত হয়। কোচিংয়ের বিভিন্ন দিক নিয়ে জানতে পারি। বিদেশি কোচদের সঙ্গে অনেক কিছু শেয়ারিং হয়। এতে স্কিল বাড়ে। এটা খুবই ইতিবাচক যে দেশীয় কোচদের জাতীয় দলের সঙ্গে কিছুটা কাজ করার সুযোগ হচ্ছে।’
‘ক্রিকেটারদের জন্য সহায়ক হল, অনেক সময় একজন প্লেয়ার বোঝে না যে কোচ তার কাছে কী চাইছেন। আমরা অনেক ক্ষেত্রে বুঝিয়ে দেই, তোমাকে এটা করতে বলেছে। প্লেয়াররাও অনেক ক্ষেত্রে ভাষার ভিন্নতার কারণে মন খুলে কথা বলতে পারে না। আমরা তখন সহযোগিতা করি।’







