জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপি নেতা সাদেক হোসেন খোকাকে ১৩ বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন বিশেষ আদালত-৩। সেই সঙ্গে ১১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
এছাড়াও ঢাকায় গুলশান এলাকায় একটি বাড়িসহ যে সব সম্পত্তির তথ্য তিনি গোপন করেছিলেন বলে মামলায় অভিযোগ ছিল, আদালত সেই সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশও দিয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ ৩ এর বিচারক আবু আহমেদ জমাদার এ আদেশ দেন।
সাদেক হোসেন খোকা যুক্তরাষ্ট্রে থাকায় তাকে পলাতক দেখিয়ে এই বিচার হয়েছে।সাদেক হোসেন খোকা আইনের চোখে পলাতক থাকায় আদালতে তার পক্ষে কোন আইনজীবীও ছিল না। তবে রায় ঘোষণার সময় বিএনপি সমর্থিত আইনজীবীরা আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
২০০৮ সালের ২ এপ্রিল দুর্নীতি দমন কমিশনের সহকারী পরিচালক শামসুল আলম রমনা থানায় মামলাটি করেন। ২০০৭ সালের ৬ ডিসেম্বর সাদেক হোসেন খোকা ২ কোটি ৪৪ লাখ ৮৭ হাজার ৮৬ টাকা সম্পদের হিসাব দাখিল করেন। কিন্তু তদন্ত করে ৯ কোটি ৭৬ লাখ ২৮ হাজার ২৬১ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও ৯ কোটি ৬৪ লাখ ৩ হাজার ৬০৯ টাকার সম্পদের তথ্য গোপনের অভিযোগ পায় দুর্নীতি দমন কমিশন। এই অভিযোগে ২০০৮ সালের ২ এপ্রিল একটি মামলা করে দুদক।
সাদেক হোসেন খোকা মামলাটি বাতিলের জন্য হাইকোর্টে আবেদন করেন। ২০১২ সালে হাইকোর্ট তার আবেদন খারিজ করে তাকে বিচারিক আদালতে আত্নসমর্পণের নির্দেশ দেন। কিন্তু তখন তিনি চিকিৎসার জন্য যুক্তরাষ্ট্রে গিয়ে আর ফিরে আসেননি।
শেষ পর্যন্ত তাকে পলাতক দেখিয়ে ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে বিচার শেষে এখন রায় দেয়া হলো। ২০১৪ সালের ৩০ অক্টোবর মামলায় অভিযোগ গঠন করা হয়।






